রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আড়ং শোরুম থেকে কাপড় কিনে শপিং ব্যাগ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। হাতে করে কাপড় নিয়ে বাসায় ফেরার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমকে রুমিন ফারহানা বলেন, ইফতারের পর উত্তরা এলাকার জসিম উদ্দিন রোডে অবস্থিত আড়ংয়ের শোরুমে তিনি যান। সেখানে মায়ের জন্য চারটি কাপড় (ম্যাক্সি) কেনেন। এসব পণ্যের মোট দাম ছিল সাড়ে চার হাজার টাকা।
তিনি বলেন, বিল পরিশোধ করার সময় কাউন্টারে কোনো শপিং ব্যাগ দেওয়া হয়নি। ব্যাগ ছাড়াই আমার হাতে কাপড়গুলো তুলে দেওয়া হয়। পরে সেভাবেই কাপড় হাতে নিয়ে শোরুম থেকে বের হয়ে বাসায় চলে অা
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, সাড়ে চার হাজার টাকার কাপড় কিনে আবার কেন আমি টাকা দিয়ে ব্যাগ কিনব? এটা কোনো বিষয় হতে পারে না। আমি সাধারণত আড়ংয়ে যাই না। কিন্তু আমার মায়ের পছন্দের কাপড় সেখানে পাওয়া যায় বলেই যেতে হয়েছে।
এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে তারা অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। একজন সংসদ সদস্যকে ন্যূনতম সম্মান দেখানো উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্ট্যাটাসে আরও বলা হয়, গ্রাহকরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনবেন, কিন্তু সেই পণ্য বহনের জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাবেন না—এ ধরনের নিয়ম প্রশ্নের জন্ম দেয়। পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ দেওয়া বন্ধ করা হয়, তবে বিকল্প ব্যবস্থাও থাকা উচিত।
জাকির হোসেন শুভ পরে বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান, আড়ং থেকে পণ্য কিনলে আলাদা দাম দিয়ে ব্যাগ কিনতে হয়।
তবে এ বিষয়ে আড়ং কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শনিবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে উত্তরার শোরুমের টিএন্ডটি নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও কেউ কল রিসিভ করেননি।
একটি সূত্র জানায়, আড়ংয়ের শোরুম থেকে পণ্য কিনলে ক্রেতাদের আলাদা করে ব্যাগ কিনতে হয়। এসব ব্যাগের দাম প্রায় সাড়ে ১২ টাকা থেকে ৭৫ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

