বাংলাদেশের পরিচয় হবে মেধা দিয়ে, ধর্ম দিয়ে নয়—আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুরে এক নির্বাচনি জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সব নাগরিক মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমান সুযোগ পাবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে খেটে খাওয়া মানুষ, ব্যবসায়ী ও নারীরা নিরাপদে চলাচল ও জীবনযাপন করতে পারবেন।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ তাদের দীর্ঘদিন ধরে কেড়ে নেওয়া রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করবে। গত এক যুগে জনগণের ওপর যারা শাসন করেছে, তারা শুধু নিজেদের স্বার্থ দেখেছে। এবারের নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নিজের অধিকার ফিরিয়ে আনবে। যারা জীবন দিয়েছেন বা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন কখনো বৃথা যাবে না। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে।
তারেক রহমান বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশের মানুষ তাদের কথা বলার অধিকার ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নারী ও যুবকরা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে। এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা শুধু প্রতিনিধির নির্বাচনের বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকব না, পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাও পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে নেব।
নারী ক্ষমতায়নকে জাতীয় উন্নয়নের অংশ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। তাদের কর্মসংস্থানে সম্পৃক্ত না করলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময় মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা বিনা মূল্যে করা হয়েছিল। আজ লাখ লাখ নারী শিক্ষার আলোয় আলোকিত। আমরা চাই তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে। নারীকে স্বাবলম্বী করলে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নও নিশ্চিত হবে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দিনাজপুরের লিচু ও কাটারিভোগ চাল সারা বিশ্বে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

-20260207045353.webp)
সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন