× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনার কেন্দ্রে সজল-জ্যাকি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় সংগঠনটির ভেতরে যেমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তেমনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও মাঠপর্যায়ে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতাদের মূল্যায়নের দিকে নজর দিচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। আর এই আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে দুই নাম, সভাপতি হিসেবে ফয়সাল আহমেদ সজল, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ খালিদ হাসান জ্যাকি।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে এই দুই নেতার। বিশেষ করে সরকারের বিরোধী আন্দোলন, অবরোধ, মিছিল ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ধারাবাহিক উপস্থিতি তাদেরকে ‘ক্লিন ইমেজের সংগঠক’ হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে।

ফয়সাল আহমেদ সজল মূলত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলে রাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন পরীক্ষিত সংগঠক। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই তিনি সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থনীতি বিভাগের (হল মর্যাদা) আহ্বায়ক হিসেবে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে টিপু-সাত্তার কমিটিতে সদস্য, সাত্তার-পারভেজ কমিটিতে সহ-সম্পাদক, পারভেজ-খোকন কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং শাহীন-খলিল কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় তিনি পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সক্রিয় নেতৃত্বের পর কেন্দ্রীয় ছাত্ররাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন সজল। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের কমিটিতে যুগ্ম সম্পাদক এবং সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়গুলোতে মাঠে সক্রিয় উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ ধরে রাখার কারণে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও তিনি একজন নির্ভরযোগ্য সংগঠক হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে রাজধানীতে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ তৃণমূল পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা তৈরি করেছে।

অন্যদিকে শেখ খালিদ হাসান জ্যাকি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার ছাত্ররাজনীতিতে পরিচিত একটি নাম। তিনি ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদল-এর সাবেক আহ্বায়ক এবং ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি পরিচিত একজন রাজপথকেন্দ্রিক সংগঠক হিসেবে, যিনি আন্দোলনের কঠিন সময়েও মাঠ ছাড়েননি।

বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, সরকারের বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে জ্যাকিকে। ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্রদল বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করে।

পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করে ছাত্রদল।

শুধু সাংগঠনিক দায়িত্বেই নয়, মাঠের আন্দোলনেও জ্যাকির সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। অবরোধ, মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তাকে নিয়মিত নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচির সমর্থনে খিলগাঁও এলাকায় তার নেতৃত্বে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়াও ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ছাত্ররাজনীতি করে উঠে আসা এবং ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের প্রতি বিএনপির হাইকমান্ডের আলাদা আস্থা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ও মাঠকেন্দ্রিক নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই বাস্তবতায় ফয়সাল আহমেদ সজল ও শেখ খালিদ হাসান জ্যাকিকে ঘিরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

নেতাকর্মীর মতে, ‘ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতৃত্ব’ এখন সময়ের দাবি। আর সেই বিবেচনায় ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই দুই নেতাকে ঘিরেই এখন দক্ষিণের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।

Link copied!