ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭ আসনে আজ-কালকের মধ্যেই ১০ দলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। এ ছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনি ইশতেহারের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে মগবাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে ১০ দলের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখের মধ্যেই প্রচার-প্রচারণা শেষ হবে।
এর আগে, শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জোটে ইসলামী আন্দোলন না আসার সুবাদে আরও ১০টি পেতে পারে আসন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এতে সারা দেশে ৪০টি আসনে লড়তে পারে দলটি।
এর আগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট আসন বন্টনের তথ্য জানায়। তবে সেই আসন সমঝোতায় জোটের অন্যতম দল ইসলামী আন্দোলন কয়টি পাচ্ছে তা জানানো হয়নি।
সমঝোতায় জামায়াতে ইসলামী ১৭৯, এনসিপি ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফতে মজলিস ১০, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ৭, আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) ৩, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২ ও নেজামে ইসলাম দুইটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকার ঘোষণা দেওয়ায় বাড়ছে ১০ দলের শরিকদের আসন।
এনসিপির চূড়ান্ত হওয়া ২৭টি আসন হলো: পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী), দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা), রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা), কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট উপজেলা), নাটোর-৩ (সিংড়া উপজেলা), সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর উপজেলা), পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা), টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল উপজেলা), ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা উপজেলা), মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা), ঢাকা-৮ (মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা), ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানা), ঢাকা-১১ (বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা থানা), ঢাকা-১৮ (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ ও খিলক্ষেত থানা), ঢাকা-১৯ (সাভার), ঢাকা-২০ (ধামরাই), গাজীপুর-২ (সিটি করপোরেশনের একাংশ, সেনানিবাস), নরসিংদী-২ (পলাশ উপজেলা ও সদরের আংশিক), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা), কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার উপজেলা), নোয়াখালী-২ (সেনবাগ উপজেলা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার আংশিক), নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া উপজেলা), লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ উপজেলা), চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ এলাকা), বান্দরবান (বান্দরবান পার্বত্য জেলা), নারায়ণগঞ্জ-৪ (সদর উপজেলার আংশিক), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা)।


