ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০২:২২ পিএম
পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে নাটকীয়তা যেন থামছেই না। দিন যত গড়াচ্ছে, এই ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক ততই জটিল আকার ধারণ করছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।

অবশেষে কলম্বোয় অনুষ্ঠিতব্য গ্রুপ এ-র এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে কি না, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।

সরকারের বয়কট ঘোষণা ও আইসিসির তৎপরতা বিতর্কের মূল সূত্রপাত পাকিস্তান সরকারের আকস্মিক ঘোষণা থেকে। যেখানে জানানো হয়েছিল যে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও প্রতিবেশী ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না।

এ পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা এবং আইসিসি প্রতিনিধি দলের সদস্য মুবাশ্বির উসমানি লাহোরে পিসিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, আইসিসি পাকিস্তানকে তাদের বয়কট সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। আইসিসির সদস্যপদ বজায় রাখা এবং আইসিসি ইভেন্টগুলোতে অংশগ্রহণের বাধ্যবাধকতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে পিসিবিকে সতর্ক করা হয়েছে যে, নির্ধারিত ম্যাচ বর্জন করলে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা ও আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে পারে পাকিস্তান।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে পরামর্শ করবেন। আজকের এই বৈঠকটি বিশ্বকাপের ভবিষ্যৎ এবং এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অনিশ্চয়তা শুধু আইসিসির জন্যই নয়, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের জন্যও বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচ থেকে প্রচুর আয়ের সম্ভাবনা ছিল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সচিব বান্দুলা দিশানায়েকে জানান, টিকিটের চাহিদা দেখে বোঝা যাচ্ছিল যে, এই ম্যাচ থেকে আমাদের বড় অর্থনৈতিক লাভ হবে। যারা এই ম্যাচ দেখতে আসবেন, তারা নিশ্চিতভাবেই পর্যটন হিসেবে দেশের আরও কয়েকটা দিন কাটিয়ে যাবেন। ম্যাচটি না হলে সবার জন্যই এটা বিশাল ক্ষতি। পরিস্থিতি খুবই হতাশাজনক।

উল্লেখ্য, ভারত তাদের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে, অন্যদিকে পাকিস্তানও শনিবার নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে জয়ের ধারায় রয়েছে।