ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

চেন্নাইয়ের বোলিং ব্যর্থতায় হতাশ কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
স্টিফেন ফ্লেমিং। ছবি : সংগৃহীত

আইপিএল ২০২৬-এর নিলামের আগে চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং দাবি করেছিলেন, তারা সব দিক বিবেচনা করেই দল সাজিয়েছেন। তবে মাঠের পারফরম্যান্স বলছে ভিন্ন কথা। 

পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ২১০ রান করেও তা ডিফেন্ড করতে ব্যর্থ হয়ে টানা দ্বিতীয় হারের মুখ দেখল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। চলতি আসরে ৩০.৫ ওভারে ৩৩৮ রান দিয়ে মাত্র ৭ উইকেট—সিএসকে-র বর্তমান বোলিং আক্রমণ নিয়ে এখন প্রশ্ন তুঙ্গে।

পাঞ্জাবের কাছে হারের পর ফ্লেমিং বলেন, নিলামের প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল ছিল। অনেক বোলার আমাদের তালিকায় ছিল যাদের আমরা শেষ পর্যন্ত দলে নিতে পারিনি। হয়তো সেই সময় তারা ফর্মে ছিলেন না, কিন্তু এখন অন্য দলের হয়ে দারুণ খেলছেন।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় হারের ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে মাঝের ওভারগুলোর বোলিংকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। 

গায়কোয়াড় বলেন, যুজবেন্দ্র চাহালের বোলিং দেখে তারা স্পিনারদের ওপর ভরসা করেছিলেন। কিন্তু ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে আসা রাহুল চাহার ও নূর আহমেদ সেই চাপ ধরে রাখতে পারেননি। 

ঋতুরাজ আরও বলেন, যখনই মনে হচ্ছিল আমরা ম্যাচে ফিরছি, তখনই বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি হজম করতে হয়েছে। ফলে আস্কিং রেট আর বাড়ানো সম্ভব হয়নি।

দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চেন্নাইয়ের ডাগআউটে থাকা স্টিফেন ফ্লেমিং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এক নতুন ও ভয়ংকর ট্রেন্ডের কথা শুনিয়েছেন। তার মতে, আধুনিক ক্রিকেটে 'ফিনিশার' বলে আর কিছু নেই। 

এখন প্রথম বল থেকেই সবাই আক্রমণাত্মক। দলগুলো এখন ১৬ ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা না করে শুরু থেকেই ওভারপ্রতি ১০-১২ রান তোলার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামছে, যার লক্ষ্য থাকে স্কোরবোর্ডে অন্তত ২৪০ রান তোলা।

চেন্নাইয়ের এই দুর্দশার পেছনে 'ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার' নিয়মকেও বড় কারণ হিসেবে দেখছেন ফ্লেমিং। ২০২৩ সালে এই নিয়মের সুবিধা নিয়ে শিরোপা জিতলেও পরবর্তী বছরগুলোতে খেই হারিয়েছে তারা।