ফুটবল বিশ্বে বর্তমান সময়ের অন্যতম আলোচিত নাম ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। রিয়াল মাদ্রিদের এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে নিয়ে ফুটবল পাড়ায় গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। তবে তার দলবদলের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার চুক্তিতে থাকা ১ বিলিয়ন ইউরো (১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি) রিলিজ ক্লজ।
এই বিশাল অংকের টাকা পরিশোধ করে তাকে দলে ভেড়ানো বিশ্বের যেকোনো ক্লাবের জন্যই এক কথায় অসম্ভব।
স্প্যানিশ ক্লাবগুলোর চুক্তিতে রিলিজ ক্লজ রাখা বাধ্যতামূলক হলেও, রিয়াল মাদ্রিদ ভিনিসিয়ুসের জন্য যে অঙ্কটি নির্ধারণ করেছে তা মূলত তাকে অন্য ক্লাবগুলোর নাগালের বাইরে রাখার একটি কৌশল।
১ বিলিয়ন ইউরো দিয়ে কোনো খেলোয়াড়কে কেনা বর্তমান ফুটবল বাজার অনুযায়ী অবাস্তব।
সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী, সৌদি প্রো লিগের ক্লাবগুলো ভিনিসিয়ুসকে দলে টানতে বিশাল অংকের প্রস্তাব নিয়ে অপেক্ষা করছে। এমনকি আল-আহলি, আল ইত্তিহাদের মতো ক্লাবগুলো তাকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে বলে জানা গেছে।
কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ তাদের অবস্থানে অনড়—যদি কোনো ক্লাব তাকে নিতে চায়, তবে রিলিজ ক্লজের পুরো অর্থই দিতে হবে।
আলোচনার টেবিলে কি দাম কমবে?
সাবেক ফুটবলারদের মতে,যদি ভিনিসিয়ুস নিজে ক্লাব ছাড়তে চান এবং রিয়াল মাদ্রিদও তাকে ছেড়ে দিতে সম্মত হয়, তবেই কেবল আলোচনার মাধ্যমে দাম কমানো সম্ভব।
বর্তমান চুক্তিতে তার মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত থাকলেও, বেতন বৃদ্ধি বা কোচের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
যদি রিয়াল শেষ পর্যন্ত তাকে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সেটি রিলিজ ক্লজের ১ বিলিয়ন ইউরোর পরিবর্তে বাজারমূল্য অনুযায়ী (যেমন ২০০-৩০০-৪০০ মিলিয়ন ইউরো) সমঝোতায় হতে পারে।



