ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬

বিদায়ের পরও কেন আলোচনার কেন্দ্রে রোনালদো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ছবি : সংগৃহীত

স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পর নতুন করে শুরু হয়েছে এক পুরোনো বিতর্ক—ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর বদলে কি গনসালো রামোসকে আরও বেশি সময় দেওয়া উচিত ছিল?

শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কোচ রবার্তো মার্টিনেজ রামোসকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামাননি। অথচ আগের রাউন্ডে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমেই যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে পর্তুগালকে শেষ ষোলোয় তুলেছিলেন এই স্ট্রাইকার।

স্পেনের বিপক্ষে ৪১ বছর বয়সী রোনালদো পুরো ম্যাচ খেললেও পর্তুগালের আক্রমণে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি। ম্যাচের ৯১তম মিনিটে মিকেল মেরিনোর গোলে বিদায় নিশ্চিত হয় পর্তুগালের। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই মার্টিনেজের কৌশল নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও রামোসকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। ইএসপিএন এফসির শেয়ার করা একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া রোনালদোর গোল মাত্র ২টি, যেখানে গনসালো রামোস করেছেন ৪টি। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই সময়ে রোনালদো খেলেছেন ৭৩২ মিনিট, আর রামোস মাত্র ১৮৭ মিনিট। অর্থাৎ অনেক কম সময় খেলেও গোল করার ক্ষেত্রে রামোস ছিলেন অনেক বেশি কার্যকর।

এই পরিসংখ্যানই প্রশ্ন তুলছে—স্পেনের বিপক্ষে গোলের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও কেন বেঞ্চেই বসে থাকতে হলো রামোসকে?

পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই রোনালদোর ওপর আস্থা রেখেছিলেন। কিন্তু সেই আস্থা শেষ পর্যন্ত ফল দেয়নি। অনেকের মতে, ম্যাচের শেষ দিকে রামোসকে নামানো হলে পর্তুগালের আক্রমণে ভিন্ন মাত্রা যোগ হতে পারত। তবে সেই সুযোগই তিনি পাননি।

রোনালদোর প্রতি অতি আস্থাই কি তবে ডোবালো পর্তুগালকে? বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর রোনালদো নিশ্চিত করেছেন, এটিই ছিল তার শেষ বিশ্বকাপ। তবে জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।