× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১১:৫১ এএম

অভিযোগ মাসউদ পেজেশকিয়ানের

ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১১:৫১ এএম

মাসউদ পেজেশকিয়ান । ছবি : সংগৃহীত

মাসউদ পেজেশকিয়ান । ছবি : সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপ তার দেশের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ চালাচ্ছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এমন এক সময়ে পেজেশকিয়ান এই অভিযোগ করেছেন, যখন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন। এর ছয় মাস আগে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা চালায়। পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে।

দুই নেতার এ বৈঠকে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ ইস্যুতে আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। 

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, শনিবার সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমার মতে, আমরা এখন আমেরিকা, ইসরায়েল ও ইউরোপের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে আছি। তারা চায় না আমাদের দেশ নিজের পায়ে দাঁড়াক।’

পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমাদের প্রিয় সামরিক বাহিনী শক্তভাবে দায়িত্ব পালন করছে। সব সংকট থাকা সত্ত্বেও আজ তাদের সরঞ্জাম ও জনবল—দুটিতেই আগের চেয়ে বেশি শক্তি আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাই তারা যদি আবার আক্রমণ করতে চায়, তবে স্বাভাবিকভাবেই আরও কঠোর জবাব পাবে।’

তার ভাষায়, ‘এই যুদ্ধ’ আগের যেকোনো যুদ্ধের চেয়ে আলাদা। ১৯৮০–৮৮ সালের ইরাক-ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এই যুদ্ধ আমাদের বিরুদ্ধে ইরাকের যুদ্ধের চেয়েও খারাপ, যদি ভালোভাবে বোঝা যায়, এটি আরও জটিল ও কঠিন।’

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ তুলছে। তেহরান বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। চলতি বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের লড়াই হয়। নজিরবিহীনভাবে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনা, এমনকি বেসামরিক এলাকায় ইসরায়েলের হামলার পর এই সংঘাত শুরু হয়।

ইরানের হিসাবে, এসব হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ হতাহত হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রও ইসরায়েলি অভিযানে যোগ দেয় এবং ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। হামলায় ওয়াশিংটনের এই সম্পৃক্ততার পর তেহরানের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে চলমান আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়।

মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আবারও তার আগের ‘ম্যাক্সিমাম প্রেসার’ নীতি চালু করেছেন। এতে নতুন করে তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যাতে ইরানের অর্থনীতি চাপে পড়ে এবং বিশ্ববাজার থেকে তাদের তেলের আয় কমে যায়।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো রিসোর্টে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসে ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি তুলবেন নেতানিয়াহু। আর এবার লক্ষ্য থাকবে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!