× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

এবার ট্রাম্পের থাবার মুখে যে পাঁচ দেশ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে পররাষ্ট্রনীতিতে আগ্রাসী ও প্রভাব বিস্তারের কৌশল আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ভেনেজুয়েলায় নাটকীয় অভিযানের পর এবার আরও পাঁচটি দেশকে ঘিরে সতর্কবার্তা ও কৌশলগত অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠাই এই নীতির মূল লক্ষ্য। ১৮২৩ সালের মনরো ডকট্রিনের আদলে তিনি এই অবস্থানকে নতুনভাবে ‘ডনরো ডকট্রিন’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন।

গ্রিনল্যান্ড

গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। সেখানে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি থাকলেও পুরো দ্বীপটি নিয়ে কৌশলগত আগ্রহ দেখাচ্ছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, রাশিয়া ও চীনের উপস্থিতি এই অঞ্চলে বাড়ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগজনক।

ডেনমার্কের অংশ এই আর্কটিক দ্বীপটি বিরল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে আগ্রহী নয় এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনেই যেকোনো আলোচনা হতে হবে।

কলম্বিয়া

ভেনেজুয়েলা অভিযানের পরপরই কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর প্রতি কঠোর বার্তা দেন ট্রাম্প। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ কলম্বিয়াকে তিনি মাদক পাচারের কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দেশটির বর্তমান নেতৃত্বের সমালোচনা করেন।

ওয়াশিংটন এরই মধ্যে কলম্বিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।

ইরান

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তার দাবি, বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে। ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনা ও সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ এই ইস্যুকে আরও জটিল করে তুলছে।

মেক্সিকো

মাদক পাচার ও অবৈধ অভিবাসন ইস্যুতে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে বরাবরই কঠোর অবস্থানে রয়েছেন ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই তিনি মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আবারও চাপ বাড়ান।

ট্রাম্পের অভিযোগ, মেক্সিকো যথেষ্ট কার্যকরভাবে কার্টেল দমন করতে পারছে না। তবে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাম যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন।

কিউবা

দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা কিউবাকে নিয়ে ট্রাম্প তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তার মতে, দেশটি অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে এবং ভেনেজুয়েলার সহায়তা বন্ধ হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নেতৃত্ব মনে করছে, কিউবার ভেতরকার দুর্বলতাই ভবিষ্যতে পরিবর্তনের পথ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অবস্থান ও বক্তব্যগুলো তার দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও অনিশ্চিত ও সংঘাতমুখী করে তুলতে পারে, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Link copied!