× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

ক্যানসারের ওষুধে গোবর-গোমূত্র, কোটি টাকার অনিয়ম

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

গরু গোসল করানো হচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত

গরু গোসল করানো হচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত

ভারতের মধ্য প্রদেশে গোবর ও গোমূত্র দিয়ে ক্যানসারের ওষুধ তৈরির একটি সরকারি গবেষণা প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

২০১১ সালে জবলপুরের নানাজি দেশমুখ ভেটেরিনারি সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মল-মূত্র ও দুগ্ধজাত পণ্যের মিশ্রণ ব্যবহার করে ক্যানসারসহ গুরুতর রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে এই প্রকল্প শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুরুতে আট কোটি রুপি দাবি করলেও মধ্য প্রদেশ সরকার প্রকল্পটির জন্য সাড়ে তিন কোটি রুপি অনুমোদন দেয়। তবে প্রকল্পের অর্থের ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের নির্দেশে অতিরিক্ত কালেক্টরের নেতৃত্বে গঠিত একটি তদন্ত কমিটি ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ব্যয়ের নথিপত্র পরীক্ষা করে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

তদন্তে দেখা গেছে, গোবর, গোমূত্র ও আনুষঙ্গিক কাঁচামাল কেনায় প্রায় এক কোটি ৯২ লাখ রুপি ব্যয় দেখানো হয়েছে, যার বাজারদর সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপি হতে পারত। এ ছাড়া গবেষণার প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন শহরে বারবার বিমানে ভ্রমণের খরচ এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে গাড়ি কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাজেটের বাইরে গিয়ে কেনা সাড়ে সাত লাখ রুপির গাড়িটির বর্তমানে কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষকদের প্রশিক্ষণের নামে অর্থ ব্যয় করা হলেও তার সঠিক নথিপত্র নেই এবং আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম কেনাকাটায় প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে বলে কমিটি মনে করছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে, প্রতিটি কেনাকাটা সরকারি নিয়ম মেনে এবং অডিটের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এই তদন্ত প্রতিবেদনটি পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!