× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

সামরিক হামলা এড়াতে ইরানকে দুই শর্ত ট্রাম্পের

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

খামেনি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

খামেনি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানকে সামরিক হামলা এড়াতে দুই শর্ত জুড়ে দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, প্রথমত, ইরানের কোনো পারমাণবিক কর্মসূচি থাকতে পারবে না এবং দ্বিতীয়ত, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করতে হবে দেশটিকে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে জানিয়েছেন, প্রথমত, ইরানে কোনো পারমাণবিক কর্মসূচি নয়; দ্বিতীয়ত, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করতে হবে। হাজারে হাজারে মানুষকে হত্যা করছে তারা। ট্রাম্প আরও বলেছেন, এ মুহূর্তে ইরানের দিকে এগোচ্ছে আমাদের অনেক বড় ও অত্যন্ত শক্তিশালী জাহাজ। আমরা যদি সেগুলো ব্যবহার না করেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারি, তাহলে সেটাই হবে সবচেয়ে ভালো।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরেই নতুন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরানের ওপর চাপ বাড়িয়ে আসছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্য সেই প্রেক্ষাপটেই। এদিকে, ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শত্রুপক্ষের যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপ বা ভুল হিসাবের জবাব তাৎক্ষণিক ও বাস্তব সময়েই দেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, বিশেষ করে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার রাতে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আকরামি-নিয়া বলেন, শত্রুর পক্ষ থেকে কোনো বেপরোয়া বা অবিবেচক পদক্ষেপ নেয়া হলে ইরান সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাবে। তিনি পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির কথা তুলে ধরে বলেন, ১৯৭০-এর দশক থেকে এই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের তিনটি মূল কৌশল ছিল কমিউনিজম ঠেকানো, পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থার নিরাপত্তা বজায় রাখা। তিনি আরও জানান, ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নীতিতে আংশিক পরিবর্তন আসে এবং তা ২০২৬ সালের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই নথিতে আমেরিকা মহাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার বহাল রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইরানের সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র বলেন, ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করে আসছে, যা মূলত একটি সমন্বিত ‘হাইব্রিড যুদ্ধের’ অংশ। তিনি বলেন, শত্রুর সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে এবং সামান্যতম হামলারও জবাব সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হবে। তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে আরও বলেন, এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আওতার মধ্যেই রয়েছে এবং কোনো সংঘাত শুরু হলে তা বিস্তৃত হতে পারে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে। 

সূত্র : মেহের নিউজ, দ্য গার্ডিয়ান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!