× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

যুদ্ধের ক্লান্তি মাথায় নিয়ে ফের করোনার কবলে আমেরিকা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

ছবিটি এআই দিয়ে বানানো।

ছবিটি এআই দিয়ে বানানো।

আমেরিকা এখন ইরানের সঙ্গে ঘোর যুদ্ধে লিপ্ত। এমন বিপদ মাথায় নিয়েই দেশটি পড়েছে নতুন বিপদের মুখে। বলছি করোনা মহামারির কথা। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে কোভিড-১৯-এর একটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট- বিএ-৩.২, যা ‘সিকাডা’ নামেও পরিচিতি পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের একাধিক দেশে এই ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও বর্তমানে সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম, তবুও এই নতুন রূপটি বিশেষজ্ঞদের নজরে এসেছে এর অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যের কারণে।

তথ্য অনুযায়ী, বিএ-৩.২ ভ্যারিয়েন্টটি প্রথম শনাক্ত হয় ২০২৪ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়- সান ফ্রান্সিসকো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেদারল্যান্ডস থেকে ফিরে আসা এক যাত্রীর শরীরে। এরপর ধীরে ধীরে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৫টি অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি ইউরোপের ডেনমার্ক, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসসহ আরও অনেক দেশে সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভ্যারিয়েন্টটি ধীরে ধীরে ছড়ালেও এর সংক্রমণক্ষমতা বেশি। ফলে অনেক জায়গায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

তবে আশার কথা হলো, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা বা মৃত্যুহার আগের তুলনায় বেশি নয়। অর্থাৎ এটি দ্রুত ছড়ালেও অতটা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠেনি।

বিএ-৩.২ ভ্যারিয়েন্টটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চমাত্রার মিউটেশন। বিশেষ করে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫টি পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন বিজ্ঞানীরা।

এই স্পাইক প্রোটিনই মানবদেহের কোষে ভাইরাস প্রবেশের প্রধান মাধ্যম। এত বেশি মিউটেশনের কারণে এটি পূর্ববর্তী সংক্রমণ বা টিকার মাধ্যমে তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কিছুটা ফাঁকি দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হলে যে লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে, সেগুলো অনেকটাই আগের কোভিড সংক্রমণের মতোই। এর মধ্যে রয়েছে কাশি, জ্বর বা কাঁপুনি, গলা ব্যথা, নাক বন্ধ থাকা, শ্বাসকষ্ট, গন্ধ বা স্বাদ হারানো, ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং কিছু ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই ভ্যারিয়েন্টটিকে ‘পর্যবেক্ষণাধীন ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এর অস্বাভাবিক মিউটেশন এবং দ্রুত বিস্তারের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এ নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।

বর্তমান কোভিড ভ্যাকসিনগুলো মূলত জেএন-১ এবং এলপি-৮.১ ধরনের ভ্যারিয়েন্টকে লক্ষ্য করে তৈরি হওয়ায় বিএ-৩.২-এর ক্ষেত্রে সংক্রমণ প্রতিরোধ কিছুটা কম হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকা এখনো গুরুতর অসুস্থতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

Link copied!