× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১১:৪১ এএম

নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ কি পাওয়া গেছে?

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১১:৪১ এএম

নাহিদা বৃষ্টি। ছবি : সংগৃহীত

নাহিদা বৃষ্টি। ছবি : সংগৃহীত

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) দুই পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে আসছে একের পর এক রোমহর্ষক তথ্য।

নিখোঁজ হওয়ার এক সপ্তাহ পর হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ওপর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে শিক্ষার্থী জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘারবিয়েহকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘাতক হিশাম আবুঘারবিয়েহ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, গত ১৬ এপ্রিল রাতে জামিল লিমন ও তার বান্ধবী নাহিদা বৃষ্টি (২৭) লিমনের অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন। এরপর থেকেই তারা নিখোঁজ হন। লিমনের মরদেহ উদ্ধার হলেও নাহিদা ব্রিস্টির মরদেহের সন্ধানে এখনও তল্লাশি চলছে। 

তবে উদ্ধারকৃত আলামত বিশ্লেষণ করে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের অফিস জানিয়েছে, পিনেলাস কাউন্টি এলাকায় আরও কিছু দেহাবশেষ পাওয়া গেছে যা নাহিদার বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, জামিল লিমনের মৃত্যু হয়েছে শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতে। ঘাতক এতটাই নৃশংস ছিল যে, ব্যাগে মরদেহটি ভরার সুবিধার্থে লিমনের পা দুটি হিপ জয়েন্টের কাছে গভীরভাবে কেটে ভাঁজ করে দিয়েছিল। 

ব্রিজের ওপর পাওয়া লিমনের মরদেহটি নগ্ন এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তে তার পেটে এবং পিঠে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তদন্তে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে ঘাতক হিশামের ডিজিটাল রেকর্ড থেকে। অপরাধ সংঘটনের আগে হিশাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটিকে’ জিজ্ঞাসা করেছিলেন কীভাবে ডাম্পস্টারে লাশ নিষ্পত্তি করা যায়। এ ছাড়াও সে বন্দুক এবং স্নাইপার রাখার বিষয়েও তথ্য অনুসন্ধান করেছিল। 

হত্যার কয়েক দিন আগেই সে অনলাইনে ডাক্ট টেপ, কালো ট্রাশ ব্যাগ, লাইটার ফ্লুইড এবং পরিচয় লুকানোর জন্য একটি নকল দাড়ি অর্ডার করেছিল।

ঘটনার দিন ১৭ এপ্রিল শুক্রবার ভোর ১টা থেকে ৫টার মধ্যে হিশামের মোবাইল ফোন ও গাড়ির জিপিএস ট্র্যাকিং তাকে সরাসরি হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে অবস্থান করতে দেখায়। এই একই সময়ে হিশামকে বড় বড় বাক্স ডাম্পস্টারে ফেলতে দেখেছিলেন তাদের তৃতীয় রুমমেট।

গ্রেপ্তারের দিনটি ছিল নাটকীয়তায় ভরা। সোয়াত টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়িটি ঘিরে ফেললে হিশাম দীর্ঘ ২০ মিনিট পর কেবল একটি তোয়ালে পরিহিত অবস্থায় আত্মসমর্পণ করেন। ঠিক একই সময়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, ব্রিজে পাওয়া ব্যাগবন্দি মরদেহটি নিখোঁজ জামিল লিমনের।

সূত্র : সিএনএন

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!