× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

হরমুজ সংকট নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা : বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার ঝুঁকিতে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। ছবি- সংগৃহীত

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। ছবি- সংগৃহীত

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এক কঠোর সতর্কবার্তায় বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তা বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য, ক্ষুধা এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে। এই পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে সক্ষম।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি উল্লেখ করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বিশ্ব অর্থনীতি যেন চাপের মধ্যে পড়ে শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

তার মতে, হরমুজ প্রণালি একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘চোকপয়েন্ট’ যেখানে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় তেল, গ্যাস, সারসহ নানা জরুরি পণ্যের সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

গুতেরেস আরও বলেন, এখনই যদি সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়, তবুও সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লাগবে। এর ফলে উৎপাদন কম থাকবে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়তেই থাকবে।

তিনি সম্ভাব্য তিনটি পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। সবচেয়ে ভালো অবস্থাতেও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ৩ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসতে পারে, আর মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

পরিস্থিতি যদি আরও খারাপের দিকে যায় বিশেষ করে ইরানের হুমকি ও হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ যদি বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলতে থাকে তাহলে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের শিকার হতে পারে। একই সঙ্গে ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে। সারের ঘাটতি ও কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ায় উন্নয়ন অগ্রগতিও বড় ধাক্কা খেতে পারে।

আর সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে, যদি বছরের শেষ পর্যন্ত এই সংকট বজায় থাকে, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতি সরাসরি মন্দায় পড়তে পারে। এর প্রভাব পড়বে মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর।

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, এই সংকটের প্রভাব ধীরে নয়, বরং দ্রুতগতিতে বাড়বে। তাই যত দ্রুত এই অচলাবস্থা নিরসন করা যাবে, ততই ক্ষতি কমানো সম্ভব।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে। সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে, যাতে বিশ্ব অর্থনীতি আবার স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে পারে।

তথ্যসূত্র: দ্য ডন

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!