× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম

‘ঝুলন্ত পার্লামেন্টে’ সঙ্গী খুঁজছেন থালাপতি, কংগ্রেসের দাবি দুটি মন্ত্রী

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম

থালাপতি বিজয়। ছবি : সংগৃহীত

থালাপতি বিজয়। ছবি : সংগৃহীত

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া সি জোসেফ বিজয়ের (থালাপতি বিজয়) দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ রাজ্যে পুরোনো ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে দল দুটিকে পরাজিত করে বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। তবে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের চেয়ে দলটি ১০ আসন পিছিয়ে আছে।

তামিলনাডু বিধানসভায় আসন সংখ্যা ২৩৪। নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলে দেখা যায়, ১০৮টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে টিভিকে। এম কে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন দ্রাবিড় মুনেত্র কাজগম (ডিএমকে) ৫৯টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং এআইএডিএমকে পেয়েছে ৪৭টি আসন। এ ছাড়া অন্য দলগুলোর মধ্যে কংগ্রেস ৫টি এবং পাত্তালি মাক্কাল কাজি (পিএমকে) ৫টি আসনে জয় পেয়েছে।

জোট গঠনের বিষয়ে সূত্র জানিয়েছে, সরকার গঠনে টিভিকে-কে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক কংগ্রেস ও পিএমকে। তবে বিনিময়ে তারা প্রত্যেকে দুটি করে মন্ত্রী পদ দাবি করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের জন্য বিজয়কে এখন ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সেক্যুলার প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (এসপিএ) অথবা এআইএডিএমকে নেতৃত্বাধীন এনডিএর সমর্থন নিতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিজয়ানন্দ জানান, সাধারণত রাজ্যপাল একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের আহ্বান জানায় । এ ক্ষেত্রে ১০৮ আসন পাওয়া টিভিকের ছোট দলগুলোর সমর্থন নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের আমন্ত্রণ পাওয়ার পর ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়ী হতে হবে। যদি টিভিকে ব্যর্থ হয়, তবে রাজ্যপাল দ্বিতীয় বৃহত্তম জোটকে ডাকতে পারেন। 

এদিকে আসনের ঘাটতি প্রসঙ্গে টিভিকের প্রচার সম্পাদক নানজিল পি সাম্পাত বলেন, বাকি সমর্থন ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবেই’ চলে আসবে। কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি এমনটাই প্রত্যাশা করি।’

এদিকে রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কংগ্রেস হাইকমান্ডকে অবহিত করেছেন দলটির তামিলনাড়ু রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গিরিশ শোডনকার। মঙ্গলবার তিনি বলেন, সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাহুল গান্ধীকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। শোডনকার সাংবাদিকদের বলেন, তামিলনাড়ুতে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে শিগগিরই দল থেকে সিদ্ধান্ত আসবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন বলছে, সরকার গঠনের লক্ষ্যে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের কাছে সাক্ষাতের সময় চেয়ে আবেদন করেছে দলটি। দলের অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিরা বাইরের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তারা দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে বর্তমানে জোটবদ্ধ দলগুলোর সম্ভাব্য সমর্থনের দিকে ইঙ্গিত করছেন- যার মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, যারা পাঁচটি আসন জিতেছে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) (সিপিআইএম) এবং বিদুত্থালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে), যারা প্রত্যেকে দুটি করে আসন পেয়েছে।

এর আগে ২০০৬ সালের সংখ্যালঘু ডিএমকে সরকার বাইরের সমর্থনে টিকে গিয়েছিল। এমন পরিস্থিতি ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে একটি নতুন বিন্যাস ঘটাতে পারে। বিশেষ করে কংগ্রেস, নির্বাচনের আগে টিভিকের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য জোটের কথা ভেবেছিল , যা জোটের মধ্যে আগে থেকেই বিদ্যমান টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

টিভিকের জন্য আরেকটি সম্ভাব্য পথ হলো পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চির (পিএমকে) সমর্থন, যাদের পাঁচটি আসন রয়েছে। তবে দলটি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে জোটবদ্ধ, যাকে বিজয় তার আদর্শগত প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ফলে পিএমকের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা কম বলেই মনে হচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৫ সালের শেষের দিকে এআইএডিএমকে এবং টিভিকের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার সূত্রপাত হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা মুখ থুবড়ে পড়ে বিজয়ের দলের কঠোর শর্তের কারণে। এখন সরকার গঠনের জন্য টিভিকে কাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

রূপালী বাংলাদেশ/ ইমরান

Link copied!