× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০১:২১ পিএম

ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ, ৮ দিনে নিহত ১০ হাজার ছাড়ালো

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০১:২১ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

জুন মাসের শেষ ভাগে টানা আট দিনের তীব্র তাপপ্রবাহে ইউরোপজুড়ে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ইউরোপভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোমোমো রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহযোগিতায় পরিচালিত ইউরোমোমোর তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে ইইউভুক্ত ২৭টি দেশে অতিরিক্ত তাপমাত্রার প্রভাবে এসব মৃত্যু ঘটে। মৃতদের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার জনের বয়স ছিল ৬৫ বছর বা তার বেশি।

সংস্থাটির কর্মকর্তা এবং ডেনমার্কের স্ট্যাটেন্স সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান চিকিৎসক লাসে ভেস্টারগার্ড রয়টার্সকে বলেন, অতিরিক্ত গরমের কারণে সৃষ্ট হিট-স্ট্রোক এবং হৃদযন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এত অল্প সময়ে বছরের এই সময়ে এত বেশি মানুষের মৃত্যু একেবারেই অস্বাভাবিক এবং এর প্রধান কারণ ছিল তীব্র তাপপ্রবাহ।

ইউরোমোমোর প্রতিবেদনে দেশভিত্তিক মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানানো হয়েছে, প্রাণহানির বড় একটি অংশ ঘটেছে ফ্রান্স ও বেলজিয়ামে।

এদিকে সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তাপপ্রবাহ ও অতিরিক্ত গরমের কারণে ইইউভুক্ত কয়েকটি দেশে গত আট সপ্তাহ ধরে প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় ৫০০ জনের মৃত্যু হচ্ছে।

ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল (ইসিডিপিসি)-এর তথ্য বলছে, ইউরোপে এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছিল করোনা মহামারির সময়। ২০২০ সালের মে-জুনে মহামারির চূড়ান্ত পর্যায়ে এক সপ্তাহে ১ হাজার ৬৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছিল।

ইউরোপের জলবায়ুবিষয়ক বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনই জুনের এই তীব্র তাপপ্রবাহের অন্যতম প্রধান কারণ। তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে এমন চরম তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন দেখা দিতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!