× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৫, ০৯:০৫ পিএম

খামেনিকে পাঠানো চিঠিতে কী লিখেছেন সৌদি বাদশা

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৫, ০৯:০৫ পিএম

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন  সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান। ছবি : সংগৃহীত

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান। ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে ইসরায়েলের হামলা করার পরিকল্পনার ফাঁস হয়েছে।

উত্তেজনা বিরাজ করছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। অঞ্চলব্যাপী সংঘর্ষের আশঙ্কা আরও বেশি জোরালো হয়েছে। ফলে ইরান ও সৌদি আরব যৌথ হুমকির মধ্যে রয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে সৌদির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান সম্প্রতি তেহরান সফর করেন।

ওই সফরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সৌদি আরবের বাদশাহ সালমানের একটি চিঠি তার কাছে হস্তান্তর করেন খালিদ বিন সালমান।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আমওয়াজ মিডিয়া বিভিন্ন সূত্রের বরাতে বলছে, চিঠিতে ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা ও মার্কিন-ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সূত্রের বরাত দিয়ে আমওয়াজ মিডিয়া জানিয়েছে, চিঠিতে চারটি মূল বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মধ্যে ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা ও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ইরানের চলমান সংলাপ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাদশাহ সালমান ইরান-মার্কিন আলোচনার প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছেন। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ইরানকে এমন একটি চুক্তি অনুসরণ করতে উৎসাহিত করেছেন তিনি।

২০১৫ সাল থেকে এটি আমূল পরিবর্তন। সে বছর ইরান ও ছয় বিশ্ব-শক্তির মধ্যে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তির সমালোচনা করেছিল সৌদি আরব, যার মধ্যে আমেরিকাও ছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে একতরফাভাবে চুক্তি প্রত্যাহার করে নেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ওপর সমস্ত নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপ করেন, যখন ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

আমওয়াজ মিডিয়া আরও বলেছে, সৌদি সফরে ওমানে চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সমর্থনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

ওয়াকিবহাল সূত্র নিশ্চিত করেছে, আগামী মাসের মাঝামাঝিতে ট্রাম্পের সৌদি আরব সফরে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন বাদশা সালমান।

তবে ইরানি রাজনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানে বর্তমানে সংস্কারবাদী প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কাছে লেখা চিঠিতে বাদশাহ সালমান হুতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও লোহিত সাগরে উত্তেজনা কমাতে ইরানকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ ছাড়াও ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরব সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে না বলেও দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন বাদশা সালমান। 

Link copied!