× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৬:২২ পিএম

রাখাইনে থামছে না জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৬:২২ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনী একের পর এক বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালাচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ম্রাউক-ইউ শহরের একটি সরকারি হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলার পর থেকে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলার মাত্রা বেড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।

এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকা আরাকান আর্মি (এএ) জানায়, শনিবার ভোরে জান্তা বাহিনীর যুদ্ধবিমান পোন্নাগিউন ও রাথেডং টাউনশিপের একাধিক গ্রামে বোমাবর্ষণ করে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি।

এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে পোন্নাগিউন, পাউকতাও ও ম্রাউক-ইউ টাউনশিপের গ্রামগুলোতে ক্লাস্টার গোলাবারুদ ও রকেট হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়াও গত বৃহস্পতিবার রাতে কিয়াকফিউ টাউনশিপের দুটি গ্রামে বিমান হামলায় অন্তত আটজন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ১০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি (এএ)-র।

এএ জানায়, গ্রামীণ কিয়াকফিউয়ের বড় একটি অংশ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তারা শহরটি দখলের চেষ্টা করছে।

কিয়াকফিউয়ের এক বাসিন্দা জানান, নিহতদের অনেকেই অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ ছিলেন, যারা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া গ্রামগুলোতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

একই দিনে জান্তা বাহিনীর গানশিপ ও যুদ্ধবিমান এএ-নিয়ন্ত্রিত গওয়া শহর ও আশপাশের এলাকায়ও হামলা চালায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, সকালে গোলাবর্ষণ এবং বিকেলে বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়।

রাখাইনভিত্তিক গণমাধ্যমগুলো আরও জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে রাজধানী সিত্তওয়ের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকে রাথেডংয়ের একটি দ্বীপে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার ম্রাউক-ইউয়ের একটি সরকারি হাসপাতালে বিমান হামলায় ৩৪ জনের বেশি রোগী, স্বজন ও স্বাস্থ্যকর্মী নিহত এবং ৭০ জনের বেশি আহত হন।

এ ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক নিন্দা শুরু হয়। প্রকাশিত ছবিতে নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারীকে দেখা গেছে।

তবে জান্তা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, হাসপাতালটি এএ ও তাদের মিত্রদের একটি সামরিক ঘাঁটি ছিল এবং নিহতরা প্রতিরোধ যোদ্ধা ও তাদের সমর্থক। বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি বলে তারা দাবি করে এবং জানায়, রাখাইন রাজ্যে ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ অব্যাহত থাকবে।

এএ মুখপাত্র খাইং থুখা দ্য ইরাবতীর মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া না দিলেও এর আগে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, হাসপাতালটিতে হামলা ছিল একটি ‘জঘন্য ও কাপুরুষোচিত যুদ্ধাপরাধ’।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো হাসপাতাল হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং এ ঘটনার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের মতে, এই হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এএ দাবি করেছে, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর বোমা হামলায় অন্তত ১ হাজার ১৫২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ২ হাজার ১৫৩ জন আহত হয়েছেন।

আরাকান আর্মি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সদস্য। এই জোট ২০২৩ সালের অক্টোবরে উত্তর শান রাজ্যে ‘অপারেশন ১০২৭’-এর মাধ্যমে জান্তাবিরোধী বড় ধরনের অভিযান শুরু করে। ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বরের পর থেকে পশ্চিম মিয়ানমারে অভিযান সম্প্রসারণের মাধ্যমে এএ রাখাইন রাজ্যের ১৭টি শহরতলির মধ্যে ১৪টির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

বর্তমানে এএ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিয়াকফিউ- যেখানে বড় চীনা উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে- এবং রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিত্তওয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে।

Link copied!