× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৮:৩০ এএম

নাইজেরিয়ার বাজারে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩০

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৮:৩০ এএম

নাইজেরিয়ার নাইজার প্রদেশে বাজারে হামলা। ছবি : সংগৃহীত

নাইজেরিয়ার নাইজার প্রদেশে বাজারে হামলা। ছবি : সংগৃহীত

নাইজেরিয়ার নাইজার প্রদেশে এক গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। হামলার সময় মোটরসাইকেলে করে এসে হামলাকারীরা বাজারে আগুন লাগিয়ে দেয়, দোকানপাট লুট করে এবং বেশকিছু মানুষকে তুলে নিয়ে যায়। 

রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে নাইজারের ডেমো গা্রামের কাসুয়ান দাকি মার্কেটে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে ।

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিনের সহিংসতা ও অপহরণের ভয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনের সব নিরাপত্তাবোধ কেড়ে নিয়েছে।

কাজুয়ান-দাজি নামের গ্রামটির কাছে থাকা জঙ্গল থেকে হামলাকারীরা বেরিয়ে এসে স্থানীয় বাজারে আগুন দেয়, দোকানপাট লুট করে এবং বহু মানুষকে অপহরণ করে। তবে ঠিক কতজনকে অপহরণ করেছে— তার সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এক স্থানীয় সাংবাদিক বলেন, ‘বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্র হাতে মানুষজনকে একত্র করে— তারপর তাদের গলা কেটে, আর অনেককে গুলি করে হত্যা করে।’

সশস্ত্র অপরাধী এসব চক্র স্থানীয়ভাবে ‘ডাকাত’ হিসেবে পরিচিত। তাদের এসব হামলা ও অপহরণের ঘটনা নাইজেরিয়ায় বহুদিনের সমস্যা। তবে সম্প্রতি দেশের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে এমন ঘটনা আরও বেড়েছে। নাইজার স্টেট ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির কর্মকর্তা আবদুল্লাহি রোফিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রামবাসীদের ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এলাকার মানুষ ভয়ে কাঁপছে। তারা লুকিয়ে আছে, কারো সঙ্গে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছে। তাদের ভয়—কথা বললে আবার একই পরিণতি হবে’। নাইজার প্রদেশের পুলিশ মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন জানান, আহতদের সহায়তায় জরুরি দল পাঠানো হয়েছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে।

পশ্চিম আফ্রিকার এই সরকার এসব অপরাধী গোষ্ঠীকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং তাদের মুক্তিপণ দেওয়াও আইনত নিষিদ্ধ। তবে অনেক সময় এই নিয়ম উপেক্ষিত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, গ্রামে কোনো নিরাপত্তা বাহিনী ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের সাহায্য চাই। আগে অন্য জায়গার কথা শুনতাম— এখন তা আমাদের গ্রামেই ঘটছে।’

এদিকে ভয়ের কারণে বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মুরগির মতো মরছি— সরকার কি আমাদের নিয়ে ভাবছে? সরকার সব দেখছে, শুনছে— কিন্তু কিছু করছে না। সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা-ই বা কী করতে পারি?’

এই হামলার মাত্র এক দিন আগে নাইজার প্রদেশে ধাপে ধাপে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। মূলত ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থীকে অপহরণের পর জরুরি নিরাপত্তা পদক্ষেপের অংশ হিসেবে স্কুলগুলো বন্ধ করা হয়েছিল।

এর আগে গত নভেম্বরেই নাইজার প্রদেশের পাপিরি এলাকার সেন্ট মেরিস ক্যাথলিক স্কুল থেকে আড়াইশোর বেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীকে অপহরণ করা হয়। দেশটির ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় অপহরণের ঘটনা। তবে বড়দিনের আগেই কর্তৃপক্ষ জানায়, নিখোঁজ সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্ধার করা হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!