নাইজেরিয়ার কওয়ারা রাজ্যের একটি গ্রামে বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৬৭ জন নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা রেড ক্রস এই হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রদেশটিতে দায়িত্বরত সংস্থাটির সেক্রেটারি বাবামো আইয়োদেজি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বুধবার পর্যন্ত তারা ৬৭ জনের মরদেহ শানাক্ত করেছে। তবে এখনও কিছু মানুষ নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নাইজেরিয়ার কিছু এলাকা দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র গোষ্ঠীদের (স্থানীয়ভাবে বান্ডিট নামে পরিচিত) সমস্যায় জর্জরিত। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা গ্রামগুলোতে লুটপাটের পাশাপাশি মুক্তিপণ আদায়ের জন্য বাসিন্দাদের অপহরণ করে। দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে জাতিগত সহিংসতা এবং উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা আছে।
সবশেষ হামলার বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ নিশ্চিত করলেও তারা হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি। স্থানীয় প্রশাসন এই হামলার জন্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। কাইয়ামা অঞ্চলের আইনপ্রণেতা বাবা আহমেদ এএফপিকে জানান, হামলার সময় বাসিন্দাদের অনেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঝোপঝাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। সেখানে আরও মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে যে গ্রামটিতে হামলা হয় সেটির নাম ওরো। বাবা আহমেদ জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে বন্দুকধারীরা গ্রামে ঢুকে দোকানপাট ও রাজার বাসভবনে আগুন দেয়। গ্রামটির বাসিন্দারা স্থানীয়ভাবে রাজার অধীনে চলেন। হামলার পর সেই রাজার খোঁজ পাওয়া যায়নি।
কওয়ারা রাজ্যের গভর্নর আব্দুল রহমান আব্দুল রাজাক হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন অংশে চলমান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের মুখে হতাশ হয়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো কাপুরুষোচিত আক্রমণ চালিয়েছে।

-20260204144216.webp)
সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন