× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম

ইন্দোনেশিয়ায় ১১ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম

উদ্ধার কার্যক্রম । ছবি : সংগৃহীত

উদ্ধার কার্যক্রম । ছবি : সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় ১১ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ হওয়া বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) এই ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। এর আগে গতকাল শনিবার ইন্দোনেশিয়ার মূল দ্বীপ জাভার যোগজাকার্তা থেকে দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী মাকাসারে যাওয়ার পথে ছোট আকারের বিমানটি রাডার থেকে উধাও হয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

মাকাসারের অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যালয়ের প্রধান মুহাম্মদ আরিফ আনোয়ার জানান, রোববার সকালে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে থাকা উদ্ধারকারী দল মাউন্ট বুলুসারাউং পাহাড়ের ঢালে বনঘেরা একটি এলাকায় বিমানের একটি ছোট জানালার মতো কিছু দেখতে পায়।

এরপর স্থল উদ্ধারকারীরা ওই এলাকায় গিয়ে বিমানের মূল অংশ এবং লেজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বড় বড় ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেন। এসব ধ্বংসাবশেষ পাহাড়ের উত্তর দিকের একটি খাড়া ঢালে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল বলে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান। আরিফ আনোয়ার বলেন, ‘বিমানের প্রধান অংশগুলো খুঁজে পাওয়ায় অনুসন্ধান এলাকা অনেকটাই সীমিত হয়েছে এবং অনুসন্ধান আরও জোরদার করার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলেছে। আমাদের যৌথ অনুসন্ধান ও উদ্ধার দল এখন মূলত ভুক্তভোগীদের খোঁজে মনোযোগ দিচ্ছে, বিশেষ করে কেউ যদি এখনো জীবিত থাকেন।’

বিমানটি ছিল একটি টার্বোপ্রপ এটিআর ৪২-৫০০ মডেলের। পরিচালনা করছিল ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্ট। সর্বশেষ বিমানটির অবস্থান শনাক্ত করা হয় দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের পাহাড়ি জেলা মারোসের লিয়াং লিয়াং এলাকায়। বিমানে আট ক্রু সদস্য এবং সামুদ্রিকবিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের তিন যাত্রী ছিলেন। তারা একটি আকাশপথে সামুদ্রিক নজরদারি মিশনের অংশ হিসেবে ওই বিমানে ছিলেন।

দক্ষিণ সুলাওয়েসির হাসানউদ্দিন সামরিক অঞ্চলের কমান্ডার মেজর জেনারেল বাঙ্গুন নাওয়োকো জানান, প্রবল বাতাস, ঘন কুয়াশা এবং দুর্গম, খাড়া পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি থাকা সত্ত্বেও রোববার স্থল ও আকাশপথে উদ্ধার দল ধ্বংসাবশেষের স্থানের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এসব প্রতিকূলতা অনুসন্ধান কাজকে ধীর করে দিয়েছে।

রোববার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকারীরা ঘন কুয়াশায় ঢাকা সরু ও খাড়া পাহাড়ি রিজ ধরে হেঁটে ছড়িয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

১৭ হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়ায় দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগের জন্য বিমান ও ফেরির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করতে হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোয় একের পর এক পরিবহন দুর্ঘটনায় ভুগছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমান ও বাস দুর্ঘটনা এবং ফেরিডুবির মতো ঘটনা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!