× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম

মানবতাবিরোধী অপরাধে দুতার্তের বিরুদ্ধে আইসিসিতে শুনানি শুরু

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম

দুতার্তের বিচারের দাবিতে ম্যানিলায় বিক্ষোভ। ছবি : সংগৃহীত

দুতার্তের বিচারের দাবিতে ম্যানিলায় বিক্ষোভ। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী অভিযানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) শুনানি শুরু হয়েছে।  নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের এই আদালতে চার দিনব্যাপী এই 'চার্জ কনফার্মেশন' বা অভিযোগ গঠনের শুনানি সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় শুরু হয়। এই শুনানির মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে যে দুতার্তের বিরুদ্ধে আনা মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু করার মতো যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ আছে কি না।

ইতোমধ্যে আইসিসির বিচারকরা দুতার্তেকে শারীরিকভাবে সুস্থ ঘোষণা করলেও তার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

৮০ বছর বয়সী এই সাবেক নেতার বিরুদ্ধে অন্তত ৭৬টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হয়েছে। 

প্রসিকিউটরদের মতে, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তিনি দাভাও শহরের মেয়র এবং পরে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন এই অপরাধগুলো সংগঠিত হয়েছে। যদিও বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী তার ছয় বছরের মাদকবিরোধী অভিযানে নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজারে পৌঁছাতে পারে। 

বর্তমানে দ্য হেগের শেভেনিনজেন কারাগারে বন্দি দুতার্তে আদালতের প্রতি তার অবজ্ঞা বজায় রেখেছেন। বিচারকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি আইসিসির এখতিয়ার মানতে অস্বীকার করেন এবং নিজের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য গর্ব প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে ফিলিপাইনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সহায়তায় তাকে 'অপহরণ' করে নেদারল্যান্ডসে আনা হয়েছে। 

ফিলিপাইন ২০১৯ সালে আইসিসি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিলেও আদালত রায় দিয়েছে, ২০১১ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে সংঘটিত অপরাধগুলোর বিচার করার পূর্ণ আইনি অধিকার তাদের রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই শুনানিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত 'সত্যের মুহূর্ত' হিসেবে বর্ণনা করেছে। মাদকবিরোধী অভিযানের নামে প্রিয়জন হারানো পরিবারগুলো আশা করছে যে এর মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। 

শুনানির পর সিদ্ধান্ত জানাতে বিচারকদের হাতে ৬০ দিন সময় থাকবে। এদিকে আদালতের বাইরে দুতার্তের সমর্থক এবং বিচারপ্রার্থী ভুক্তভোগী—উভয় পক্ষের বিক্ষোভের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানা গেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!