ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশসহ যেসব দেশের হাঁস-মুরগি ও ডিম কিনবে না সৌদি আরব

বিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সৌদি আরব বাংলাদেশসহ ৩৯টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) গালফ নিউজ–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি খাদ্য ও ঔষধ কর্তৃপক্ষ আরও ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও মহামারী–সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী, কিছু নিষেধাজ্ঞা ২০০৪ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে। অন্যগুলো ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পশুর রোগ—বিশেষ করে উচ্চ রোগজীবাণু এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাব—সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে আরোপ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ছাড়াও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে: আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মায়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিশর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, কোট দিভোয়ার ও মন্টিনিগ্রো।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নির্দিষ্ট রাজ্য বা শহরের ক্ষেত্রে আংশিক নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাপ-প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়, যদি সেগুলো অনুমোদিত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মান পূরণ করে।

এ ধরনের পণ্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকারি সনদ থাকতে হবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে সেগুলো এমনভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়েছে যা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস ধ্বংস করে। পাশাপাশি এসব পণ্য রপ্তানিকারক দেশের অনুমোদিত স্থাপনা থেকে উৎপাদিত হতে হবে।