× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

৯ সামরিক কর্মকর্তাসহ ১৯ উচ্চপদস্থ ব্যক্তিকে আইনসভা থেকে অপসারণ করল চীন

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

শি জিনপিং। ছবি : সংগৃহীত

শি জিনপিং। ছবি : সংগৃহীত

চীনের আইনসভা থেকে ১৯ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে নয়জনই দেশটির সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আগামী সপ্তাহে চীনে অনুষ্ঠেয় বৃহত্তম বার্ষিক রাজনৈতিক সম্মেলনের ঠিক আগ মুহূর্তে দেশটির আইনসভার উচ্চকক্ষ ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) স্ট্যান্ডিং কমিটির পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

যদিও এই গণ-বহিষ্কারের কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি, তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এটি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অভিযানেরই অংশ।

বহিষ্কৃতদের তালিকায় রয়েছেন পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) গ্রাউন্ড ফোর্সের কমান্ডার লি চিয়াওমিং এবং নৌবাহিনীর সাবেক কমান্ডার শেন জিনলং। এ ছাড়া ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের সাবেক পার্টি প্রধান সান শাওচং-সহ বেশ কয়েকজন প্রাদেশিক কর্মকর্তাও এই তালিকায় রয়েছেন।

কয়েক সপ্তাহ আগেই শি জিনপিং তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কিংয়ের জেনারেল ঝাং ইউক্সিয়াকে পদচ্যুত করেন। ঝাং-এর বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলা ও আইন লঙ্ঘনের’ গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। চীনে সাধারণত দুর্নীতির সমার্থক হিসেবে এই ধরনের শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হয়।

২০১৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শি জিনপিং দুর্নীতিকে কমিউনিস্ট পার্টির জন্য ‘সবচেয়ে বড় হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তার বিখ্যাত ‘টাইগার্স অ্যান্ড ফ্লাইস’ অভিযানের মাধ্যমে তিনি উচ্চপদস্থ এবং নিম্নপদস্থ—উভয় স্তরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করেছেন। তবে সমালোচকদের মতে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই লড়াইকে শি অনেক সময় তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরিয়ে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরেও নয়জন শীর্ষ জেনারেলকে একইভাবে পদচ্যুত করা হয়েছিল। সামরিক বাহিনীর ওপর প্রেসিডেন্টের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতেই এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী ৪ মার্চ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে ‘টু সেশনস’। এই সম্মেলনে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস এবং চায়নিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের হাজার হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশেই চীন সরকার তাদের পরবর্তী ‘পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা’ এবং বার্ষিক অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এমন একটি স্পর্শকাতর সময়ের আগে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া চীনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!