× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০১:০০ পিএম

‘আগে গুলি, পরে প্রশ্ন’—গ্রিনল্যান্ড নিয়ে হুঁশিয়ারি ডেনমার্কের

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০১:০০ পিএম

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির মুখে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের সেনাদের জন্য  ‘আগে গুলি, পরে প্রশ্ন’ নির্দেশনা  জারি করেছে। স্থানীয় পত্রিকা বার্লিংস্কেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেনিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, কোনো বিদেশি শক্তি যদি গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ বা দখলের চেষ্টা করে, তবে সেনারা সরাসরি কোনো নির্দেশের অপেক্ষা না করেই তৎক্ষণাৎ গুলি চালাতে বা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে।

এই কঠোর নির্দেশনার মূলে রয়েছে ১৯৫২ সালের স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি আইন। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি বাহিনীর অতর্কিত হামলার অভিজ্ঞতা থেকে এই নিয়ম তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৪০ সালে জার্মানি যখন ডেনমার্ক আক্রমণ করে, তখন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশের অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে ডেনিশ বাহিনী কার্যকর প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয়েছিল। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই এই নিয়ম করা হয় যে আক্রান্ত হলে কমান্ডার বা সরকারের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার অপেক্ষা না করেই সেনারা তাৎক্ষণিক লড়াই শুরু করবে।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ এবং কৌশলগত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে এটি দখলের ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনার পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তার হুমকি ডেনমার্ক ও ন্যাটোর দেশগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। 

ট্রাম্পের দাবি, গ্রিনল্যান্ড বর্তমানে রুশ ও চীনা জাহাজে সয়লাব হয়ে আছে এবং ডেনমার্ক একা এর নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়।

যদিও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেছেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, তারা সামরিক অভিযানের চেয়ে কূটনৈতিক আলোচনা বা ক্রয়ের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবুও ডেনমার্ক কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না। 

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডেরিখ নিয়েলসেন ট্রাম্পের এই ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের আলোচনাকে ‘অসম্মানজনক’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং ডেনমার্ক স্পষ্ট করে দিয়েছে যে গ্রিনল্যান্ড কোনোভাবেই বিক্রির জন্য নয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!