× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০১:০৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের বদলে ডেনমার্কের সঙ্গেই থাকার ঘোষণা গ্রিনল্যান্ডের

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০১:০৯ পিএম

মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে নিয়েলসেন। ছবি : সংগৃহীত

মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে নিয়েলসেন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র নয়, গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ডেনমার্কের সঙ্গেই থাকার দৃঢ় ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন দ্বীপটির প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) কোপেনহেগেনে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি। 

নিয়েলসেন স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটে যদি গ্রিনল্যান্ডকে ডেনমার্ক অথবা আমেরিকার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হয়, তবে তারা ডেনমার্ককেই বেছে নেবেন। ট্রাম্পের বারবার দ্বীপটি দখলের হুমকির মুখে গ্রিনল্যান্ড সরকারের এই অবস্থানকে ওয়াশিংটনের প্রতি একটি শক্তিশালী প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এই পরিস্থিতিতে বলেন, তাদের নিকটতম মিত্রের কাছ থেকে আসা এমন ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য চাপ’ মোকাবিলা করা মোটেও সহজ ছিল না। এর আগে গত সোমবার গ্রিনল্যান্ড সরকার এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের দখলদারিত্বের হুমকিকে যেকোনো পরিস্থিতিতে প্রত্যাখ্যান করার ঘোষণা দেয়। 

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ডেনিশ কমনওয়েলথের অংশ হিসেবে গ্রিনল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য এবং এর প্রতিরক্ষা অবশ্যই ন্যাটোর মাধ্যমেই নিশ্চিত করতে হবে। ট্রাম্প যেভাবে ‘একভাবে না হলে অন্যভাবে’ গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার হুমকি দিচ্ছেন, তা ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং ন্যাটোর ভেতরে এক বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ডেনিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লারস লোকে রাসমুসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোৎজফেল্ড জানিয়েছেন যে, ট্রাম্পের হুমকির প্রেক্ষাপটে তারাই সরাসরি আলোচনার জন্য রুবিওর সঙ্গে এই বৈঠকের অনুরোধ করেছিলেন। 

রাসমুসেনের মতে, আলোচনার বিষয়বস্তুগুলো লোকচক্ষুর আড়ালে একটি কক্ষে বসে একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। গ্রিনল্যান্ডের নেতারা মনে করছেন, এই আলোচনার মাধ্যমেই ওয়াশিংটনের অমূলক আকাঙ্ক্ষার অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।

গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় রাজনীতিবিদেরা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, দ্বীপটির ৫৬ হাজার মানুষের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই মার্কিন নাগরিক হতে ইচ্ছুক নন। ইনুইট আতাগাটিগিট পার্টির নেতা আজা চেমনিৎস অত্যন্ত জোরালো ভাষায় বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং এটি কখনোই বিক্রয়যোগ্য হবে না।’ 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্রিনল্যান্ডের আত্মা, পরিচয়, ভাষা এবং সংস্কৃতি আমেরিকার অংশ হলে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যেতে পারে, যা গ্রিনল্যান্ডবাসী কখনোই মেনে নেবে না। ট্রাম্পের এই দখলদারিত্বের প্রচেষ্টাকে তারা নিজেদের অস্তিত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন। ফলে আটলান্টিকের দুই পাড়ের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!