× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থা এখন ‘বিরাট ভাঙনের’ মুখে : কানাডার প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি : ছবি : সংগৃহীত

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি : ছবি : সংগৃহীত

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা ‘বিরাট এক ভাঙনের’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বজুড়ে নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার অবক্ষয়ের ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে রাজনৈতিক ও আর্থিক খাতের প্রভাবশালীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন কার্নি। বুধবার (২১ জানুয়ারি) একই মঞ্চে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

গত বছর রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর থেকেই কার্নি বলে আসছেন, বিশ্ব আর ট্রাম্প-পূর্ব স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে না। দাভোসের বক্তব্যে তিনি সরাসরি ট্রাম্পের নাম উল্লেখ না করলেও বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নেতৃত্বের প্রভাব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

কার্নি বলেন, ‘আমরা কোনো পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি না, বরং একটি গভীর ভাঙনের ভেতর দিয়ে অগ্রসর হচ্ছি।’

তিনি উল্লেখ করেন, কানাডা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন এই ব্যবস্থা সমুদ্রপথ উন্মুক্ত রাখা, আর্থিক স্থিতিশীলতা, সম্মিলিত নিরাপত্তা এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, যা কানাডার জন্য উপকারী ছিল।

তবে বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ব এখন বড় শক্তিগুলোর চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতার মঞ্চে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন কার্নি। তাঁর ভাষায়, ক্ষমতাধর দেশগুলো নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য অর্থনৈতিক চাপ ও প্রভাব বিস্তারের কৌশল বেছে নিচ্ছে।

‘আলোচনার টেবিলে না থাকলে মেনুতে থাকবেন’

মাঝারি শক্তির দেশগুলোর জন্য সতর্কবার্তা দিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল নিয়ম মেনে চললেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে—এই ধারণা এখন আর কার্যকর নয়।

কার্নি বলেন, ‘মাঝারি শক্তির দেশগুলোকে মানিয়ে নিতেই হবে। প্রশ্ন হলো—আমরা কি শুধু নিজেদের চারপাশে দেয়াল তুলে টিকে থাকার চেষ্টা করব, নাকি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বড় কোনো লক্ষ্য নিয়ে এগোব?’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনি যদি আলোচনার টেবিলে না থাকেন, তাহলে আপনি মেনুতে থাকবেন।’ বড় শক্তির দেশগুলোর বিশাল বাজার, সামরিক শক্তি ও চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা রয়েছে, যা মাঝারি দেশগুলোর নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কানাডা–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন

কার্নির এই বক্তব্য আসে এমন এক সময়, যখন কানাডা–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি কানাডার প্রভাবশালী পত্রিকা গ্লোব অ্যান্ড মেইল জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলায় কানাডার সেনাবাহিনী বিশেষ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা তৈরি করেছে।

এদিকে ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাধিকবার কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছিলেন। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে এমন বক্তব্য কমেছে, তবে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একটি মানচিত্রে কানাডা ও ভেনেজুয়েলাকে মার্কিন পতাকায় ঢাকা দেখানো হয়েছে, যা নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

এ ছাড়া গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে ট্রাম্পের হুমকির কারণে এবারের দাভোস সম্মেলনেও বাড়তি উত্তেজনার ছাপ পড়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!