× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম

৬ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারীর বাসা থেকে উদ্ধার ২ কোটি টাকা!

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

১৯৯৯ সালে মাত্র ৬ হাজার টাকা মাসিক বেতনে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছে ভিজিল্যান্স দপ্তর। শুধু তা-ই নয়, ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি এবং গাড়ি-সহ আরও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিস মিলেছে বলেও ভিজিল্যান্স সূত্রে জানা গেছে।

আয়বহির্ভূত সম্পত্তির মামলায় ভারতের ওড়িশ্যার কন্ধমলের বালিগুড়ায় বৈকুণ্ঠনাথ বেহরা নামে এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি-সহ তার বেশ কয়েকটি ঠিকানায় হানা দেন রাজ্য ভিজিল্যান্স দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তল্লাশি চালানো হয় ভুবনেশ্বর, বালেশ্বর, জাজপুর এবং বালিগুড়ায়। যে ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক বেতন ৬ হাজার টাকা, তার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিস মিলতেই হুলস্থুল পড়ে গেছে। স্তম্ভিত ভিজিল্যান্স কর্মকর্তারাও।

তদন্তকারী এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নগদ ২ কোটি টাকা থেকে শুরু করে দামি ফ্ল্যাট, কয়েক একর জমির উপরে তৈরি চার তলা বাড়ি, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বেনামে বেশ কয়েকটি জমির হদিস মিলেছে।

তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। তার পরই তার বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযানে নামে ভিজিল্যান্স দপ্তর।

তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে জাজপুরের চন্দ্রশেখরপুর, শৈলশ্রী বিহার, কানন বিহার এবং ধর্মশালায়। এ ছাড়াও বারিপদা, ভুবনেশ্বর এবং কন্ধমলেও ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি, অফিসেও তল্লাশি চলে। 

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারের পাঁচটি বহুতল ভবনের হদিস মিলেছে। তার মধ্যে ভুবনেশ্বরের নীলাদ্রি বিহারে ১০ হাজার ৫০০ বর্গফুটের একটি চারতলা বিলাসবহুল বাড়িও রয়েছে। 

মোট ১৩টি জমির হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার মধ্যে সাতটি জমি রয়েছে ভুবনেশ্বরে, বাকিগুলি জাজপুর এবং বারিপদায়।

এ ছাড়া ব্যাংকের লকার থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। বিভিন্ন ঠিকানা থেকে প্রায় তিন লাখ টাকাও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা।

শুধু নগদ টাকা এবং বাড়ি বা জমিই নয়, সোনার গয়না, বিলাসবহুল গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আর কোথায় কোথায় ইঞ্জিনিয়ারের সম্পত্তি রয়েছে, তার তল্লাশি চালাচ্ছে ভিজিল্যান্স।

১৯৯৯ সালে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে চাকরিতে যোগ দেন। এ বছরে অ্যাসিসট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পদে উন্নীত হন বৈকুণ্ঠনাথ। ইঞ্জিনিয়ারকে জেরা করে বাকি সম্পত্তির হদিস পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

Link copied!