× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৫:৩০ পিএম

পেহেলগাম সংঘাতে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত ভারত, দাবি কংগ্রেস নেতার

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৫:৩০ পিএম

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা পৃথ্বীরাজ চহ্বান। ছবি- সংগৃহীত

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা পৃথ্বীরাজ চহ্বান। ছবি- সংগৃহীত

চলতি বছরের মে মাসে সংঘটিত পাকিস্তান-ভারত সংঘাত নিয়ে নয়াদিল্লি জয় দাবি করলেও বিপরীতে দেশটির বিরোধী দল কংগ্রেসের এক জ্যেষ্ঠ নেতা দাবি করেছেন, ওই সংঘাতে পাকিস্তানের কাছে ভারত সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা পৃথ্বীরাজ চহ্বান ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, ‘মানুন বা না মানুন, ৭ মে আধঘণ্টার বিমান সংঘর্ষে আমরা সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছি। অপারেশন সিন্দুরের প্রথম দিনেই আমাদের পরাজয় ঘটে।’

তিনি আরও দাবি করেন, সংঘাত চলাকালে ভারতীয় বিমান বাহিনী কার্যত গ্রাউন্ডেড ছিল। পাকিস্তানের শক্তিশালী বিমানযুদ্ধ সক্ষমতার কারণে ভারতীয় বিমান উড্ডয়নে বড় ধরনের ঝুঁকি ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চহ্বানের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘গোয়ালিয়র, বাথিন্ডা বা সিরসা থেকে যদি কোনো বিমান উড়ত, তবে পাকিস্তানের হাতে গুলিবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সে কারণেই বিমান বাহিনী পুরোপুরি গ্রাউন্ডেড ছিল।’

এদিকে, পাকিস্তান দাবি করেছে যে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের নেতৃত্বে তারা ভারতের আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।

পাকিস্তান বিমান বাহিনীর (পিএএফ) দাবি, সংঘাত চলাকালে তারা রাফায়েলসহ সাতটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে এবং একটি এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে চার দিনের এই যুদ্ধের সূচনা হয়, যাতে একাধিক বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা কর্মী নিহত হন। জবাবে পাকিস্তান বিভিন্ন অঞ্চলে ভারতের অন্তত ২০টির বেশি সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়।

পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশ ১০ মে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলে সংঘাতের অবসান ঘটে।

সংঘাতের কয়েক মাস পর মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের সামরিক সাফল্যের কথা স্বীকার করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-চীন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সংঘাতের সময় পাকিস্তান ভারতের ওপর সামরিক প্রভাব বিস্তারে উন্নত চীনা অস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সক্রিয় যুদ্ধে প্রথমবারের মতো চীনের আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার সফল ব্যবহার দেখা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, পিএল-১৫ আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং জে-১০ যুদ্ধবিমান।

এ মাসের শুরুতে ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির ভবিষ্যতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে ভারতকে সতর্ক করেন।

তিনি বলেন, ‘ভারতের কোনো বিভ্রান্তিতে থাকা উচিত নয়। ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া আরও দ্রুত ও তীব্র হবে।’

Link copied!