× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম

মাদুরোকে অপহরণের পর ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার উদ্বেগ বাড়ছে

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে নিউইয়র্ক নিয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই, তেহরানকে হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ।  বলেন, ‘ইরানের শাসকগোষ্ঠীর উচিত ভেনেজুয়েলায় কী হচ্ছে তা গভীরভারে পর্যবেক্ষণ করা। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাক্ষাতের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে কারাকাসের নিরাপদ বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। সেই সাক্ষাৎকারের সময় ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর ঘোষণা দেয় তেল আবিব। 

বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরোকে জোরপূর্বক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে। ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের (এনআইএসি) সভাপতি জামাল আবদি বলেন, ‘নতুন ধরনের এই আইনবহির্ভূত আচরণ বিশ্বকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে এবং যুদ্ধের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, মাদুরোর অপহরণের ঘটনায় ইরান মনে করতে পারে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনীতি অর্থহীন এবং নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ ফেলো নিগার মোরতাজাভি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এমন সর্বোচ্চবাদী নীতি কূটনৈতিক সমাধানের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে এবং সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ইরান–ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক 

মাদুরো ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন। দুদেশই দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে এবং পারস্পরিক বাণিজ্য বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। মাদুরোকে আটক করার পর তেহরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একে ‘অবৈধ সামরিক আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করেছে এবং জাতিসংঘকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমরা শত্রুর কাছে নতি স্বীকার করব না, বরং তাদের আমাদের পা ধরে বসে থাকতে বাধ্য করব।’

ট্রাম্পের হুমকি

গত সপ্তাহে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা চালাবে। বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালালে ইরানকে কঠোরভাবে আঘাত করা হবে।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, ভেনেজুয়েলার মতো ‘সরকারি নেতৃত্ব অপসারণ’ মডেল ইরানের ক্ষেত্রেও প্রয়োগের চেষ্টা হতে পারে। তবে আবদি বলেন, ইরান এ ধরনের অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিতে সক্ষম, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট কি ভেনেজুয়েলার মতো ইরানেও হামলা চালাবে?

ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের (এনআইএসি) সভাপতি জামাল আবদি জানান, ইসরায়েল জুনে মাসউদ পেজেশকিয়ানসহ ইরানের সর্বোচ্চ নেতাদের হত্যায় কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। ট্রাম্প বারবার খামেনিকে গুপ্তহত্যার হুমকি দিচ্ছে। ইসরায়েলও যুদ্ধের সময় জানিয়েছে, খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায় তারা। 

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!