× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১১:২৬ এএম

মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করল ইরান

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১১:২৬ এএম

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় নিজেদের আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। ১৯৭০-এর দশকের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটিতে চলমান সবচেয়ে ভয়াবহ অস্থিরতা ও সরকার পতন আন্দোলনের মুখে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে। 

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এই আগাম ব্যবস্থা নিয়েছে ইরান। 

এরই মধ্যে পেন্টাগন ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিসহ সম্ভাব্য হামলার একাধিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা ট্রাম্পের কাছে জমা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা ও কর্মীদের আংশিক সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

আঞ্চলিক এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে বার্তা পাঠিয়েছে। তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ড বা আকাশপথ ব্যবহার করে কোনো হামলা চালানো হলে সেসব দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের পাল্টা আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হবে। 

এই হুমকির পরপরই তেহরানকে আশ্বস্ত করে রিয়াদ জানিয়েছে, সৌদি আরবের আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানে কোনো হামলা চালাতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের চলাচলেও বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ওয়াশিংটন।

এদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। অর্থনৈতিক সংকটের জেরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে, যা দমাতে ইরান কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। 

ইরানের প্রধান বিচারপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজপথে নাশকতা ও অগ্নিসংযোগে জড়িতদের বিলম্ব না করে দ্রুততম সময়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে বুধবার ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মার্কিন চাপের মুখে ইরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে আপাতত সরে এসেছে। যদিও পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর দাবি, প্রতিদিন নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু সাধারণ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন।

যুদ্ধাবস্থা ঘনীভূত হওয়ায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে যে সীমিত যোগাযোগ ছিল, তা এখন পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের পূর্বনির্ধারিত আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের ক্রমাগত সামরিক হুমকির কারণে আলোচনার আর কোনো পরিবেশ নেই। 

এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে ইরান ইস্যুতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে; জার্মানির বার্লিনে হাজার হাজার প্রবাসী ইরানি বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে পদযাত্রা করেছেন, অন্যদিকে তেহরানে ব্রিটিশ দূতাবাসের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী সমাবেশ করেছেন সরকার সমর্থকরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!