× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৯:২২ এএম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরানের কঠোর সতর্কবার্তা

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৯:২২ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হামলাকে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী বহর ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আশা করি, এই সামরিক তৎপরতার উদ্দেশ্য সরাসরি কোনো সংঘাতে জড়ানো নয়। তবে আমাদের সেনাবাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এ কারণেই বর্তমানে ইরানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হামলা সীমিত হোক কিংবা ব্যাপক—সার্জিক্যাল বা কাইনেটিক যাই বলা হোক না কেন—আমরা সেটিকে আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবেই দেখব এবং এর জবাব দেওয়া হবে সবচেয়ে কঠোর উপায়ে।’

এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, একটি মার্কিন ‘নৌবহর’ ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেটি ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে ইরানকে বিক্ষোভকারীদের দমন কিংবা পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু না করার বিষয়ে নতুন করে সতর্ক করেন তিনি।

ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, তাহলে আমরা অবশ্যই জবাব দেব। তবে সেই জবাব কী ধরনের হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘যে দেশটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক হুমকির মুখে রয়েছে, তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প পথ খোলা থাকে না।’

উল্লেখ্য, অতীতেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে, যা সাধারণত প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করা হয়। তবে গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে হামলার আগে অঞ্চলটিতে বড় ধরনের মার্কিন সামরিক সমাবেশ লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

Link copied!