× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম

ইরাককে ইরানের প্রভাব থেকে দূরে থাকার আহ্বান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি- সংগৃহীত

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানির সঙ্গে এক ফোনালাপে ইরাককে ইরানের প্রভাব থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। এ সময় সিরিয়া থেকে আইসিস সংশ্লিষ্ট বন্দিদের ইরাকে হস্তান্তরে সরকারের উদ্যোগ এবং নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন তিনি। 

রোববার (২৫ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে। খবর আল-জাজিরা

রুবিও বলেন, ‘ইরাক মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার মাপকাঠিতে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।’ তিনি বলেন, ইরানের প্রভাবে পরিচালিত সরকার ইরাকের স্বার্থ অগ্রাহ্য করতে পারে এবং সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্বও শক্তিশালী করতে পারবে না।

রুবিও ইরাক সরকারের উদ্যোগে দ্রুত বন্দিদের হস্তান্তর ও আটক প্রক্রিয়ার প্রশংসা করেন। প্রথম ধাপে সিরিয়ার হাশাকা থেকে ১৫০ বন্দি নিরাপদ ইরাকি প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৭,০০০ বন্দি স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্প্রতি ইরাকে এক সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে নুরি আল-মালিকি আবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। আল-মালিকির রাজনৈতিক ইতিহাস জটিল; ২০০৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় তার শাসনামলে দেশের রাজনৈতিক বিভাজন বাড়ে এবং দেশ ইসলামিক স্টেট(আইএস) এর উত্থান ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মুখোমুখি হয়। আল-মালিকির সময়কালে প্রো-ইরানি শিয়া গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উদ্বিগ্ন করেছে। ওয়াশিংটনও এই প্রভাবের কারণেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।  

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, উপসাগরের দিকে একটি অস্ত্রবাহী নৌবহর যাচ্ছে, যা ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়াচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করে জানান, যে কোনো আগ্রাসনের জবাবে তারা শক্তিশালীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইরাকে হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ২০০৩ সালে দেশটি আক্রমণ করলে ইরাক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত হয় এবং পরবর্তীতে আইএসের উত্থান ঘটে। এরপর থেকে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে, যা ইরাক ও অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই বন্দি স্থানান্তর এবং সামরিক প্রস্তুতি মূলত ওয়াশিংটনের ইরানের প্রভাব সীমিত করা এবং ইরাকের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতি মনোযোগী হওয়ারই প্রমাণ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!