× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৯:৩০ এএম

নিরস্ত্র হলে হামাস সদস্যদের ‘সাধারণ ক্ষমা’ ঘোষণা করা হবে

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৯:৩০ এএম

অস্ত্র হাতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা। ছবি : সংগৃহীত

অস্ত্র হাতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা। ছবি : সংগৃহীত

গাজায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস নিরস্ত্রীকৃত হলে তাদের ‘এক ধরণের সাধারণ ক্ষমা’ দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওই কর্মকর্তা এই মন্তব্য করেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় থাকা সর্বশেষ ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ উদ্ধারের পর এই তথ্য জানানো হয়, যা গত অক্টোবরে সম্মত হওয়া গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরবর্তী ধাপের পথ প্রশস্ত করেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে ওই কর্মকর্তা বলেন, তারা হামাসের অনেকের মুখে নিরস্ত্রীকরণের কথা শুনছেন এবং তারা বিশ্বাস করেন হামাস অস্ত্র ত্যাগ করবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, তারা নিরস্ত্রীকরণ না করলে চুক্তি ভঙ্গ হবে। তিনি আরও যোগ করেন, নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি জড়িত এবং তাদের কাছে নিরস্ত্রীকরণের খুব ভালো একটি প্রোগ্রাম রয়েছে।

ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আলজাজিরার প্রতিনিধি রোজিল্যান্ড জর্ডান জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়। প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন যে, হামাস নিরস্ত্রীকরণে রাজি হয়েছে। হামাসকে রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা ইঙ্গিত দেন যে, যেসব হামাস যোদ্ধা অস্ত্র ত্যাগ করবেন তাদের জন্য সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি আলোচনার টেবিলে রয়েছে।

জর্ডান উল্লেখ করেন, যদিও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি, তবে বিষয়টি জনসমক্ষে আসা একটি বড় পদক্ষেপ। এই শর্তগুলো চূড়ান্ত হতে কত সময় লাগবে তা নির্ভর করছে ইসরায়েল, আমেরিকা এবং মধ্যস্থতাকারী কাতার, তুরস্ক ও মিশরের আলোচনার ওপর।

এদিকে সোমবার ইসরায়েল নিশ্চিত করেছে যে, গাজায় থাকা সর্বশেষ ইসরায়েলি ব্যক্তি রন গভিলির দেহাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে এবং সব বন্দিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। হামাস জানিয়েছে, দেহাবশেষ ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তারা দাবি করেছে যে, তারা দায়িত্বশীলভাবে সব বাধ্যবাধকতা মেনে চলেছে।

এখন ইসরায়েলকে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কোনো দেরি না করে রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়া, পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবেশ নিশ্চিত করা, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, গাজা থেকে সম্পূর্ণ সৈন্য প্রত্যাহার এবং গাজা পরিচালনার জাতীয় কমিটিকে সহায়তা করতে হবে।

ট্রাম্পের ২০-দফা পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব বন্দি মুক্তি পেলে অস্ত্র সমর্পণকারী হামাস সদস্যদের সাধারণ ক্ষমা করা হবে এবং যারা গাজা ছাড়তে চায় তাদের নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করা হবে। এই পরিকল্পনায় ত্রাণ চলাচল স্বাভাবিক করা এবং রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!