ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স এজেন্সি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অস্থায়ী পরিষদে প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি বিচার বিভাগের প্রধান এবং নেতৃত্ব পরিষদ (গার্ডিয়ান কাউন্সিল)-এর একজন জ্যেষ্ঠ আলেম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। দেশটির সংবিধানের ১১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু বা দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা দেখা দিলে একটি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়। এই পরিষদের দায়িত্ব হলো নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করা, যতক্ষণ না নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা হয়।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমটি জানায়, অন্তর্বর্তী পরিষদের প্রধান দায়িত্ব হবে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিশেষজ্ঞ পরিষদের মাধ্যমে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব কাঠামো ইরানে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং সময়সীমা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।


