ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, খামেনির মরদেহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।
ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির জানাজা শেষে তাকে তার নিজ শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। এছাড়া, রাজধানী তেহরানে একটি বড় পরিসরের গণশোক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনাও চলছে। আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা জানান, এতে সর্বসাধারণ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে জানাজা বা স্মরণানুষ্ঠানের তারিখ ও সময় এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। হামলায় খামেনি ও তার শীর্ষ সহযোগীরা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি শামখানি ও ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর।
ইরানি সূত্র জানিয়েছে, হামলার ঠিক আগে খামেনি শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, শনিবার আল জাজিরা প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে খামেনির প্রাসাদ ধসে গেছে এবং চারপাশ কালো হয়ে গেছে, যা বড় ধরনের বিস্ফোরণের ইঙ্গিত দেয়। তবে হামলার প্রকৃতি, ব্যবহৃত অস্ত্র বা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

