ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ীদের ‘চরম মূল্য দিতে হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
লারিজানিকে হত্যার একদিন পর বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
এক বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি জানান, লারিজানির মৃত্যুর খবর তিনি গভীর দুঃখের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন। তিনি লারিজানিকে ‘বুদ্ধিমান ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি ছিলেন একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের একজন ব্যক্তিত্বকে হত্যা করা হয়েছে এটি তার গুরুত্বই প্রমাণ করে এবং ইসলামের শত্রুদের ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ।
ইসলামী ব্যবস্থার ভিত্তিতে এই রক্তপাত কেবল তাকে আরও শক্তিশালী করবে। তবে প্রতিটি রক্তেরই মূল্য আছে, আর শহিদদের হত্যাকারী অপরাধীদের সেই মূল্য খুব শিগগিরই দিতে হবে।’
এদিকে বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, তাদের সামরিক বাহিনীকে এখন থেকে যেকোনো জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাকে লক্ষ্যবস্তু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ জন্য বাড়তি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
গত সোমবার রাতে তেহরানে ইসরায়েলের হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি তাঁর ছেলেসহ নিহত হন।
ওই দিন পৃথক আরেকটি হামলায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী বাসিজের প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হন।
মঙ্গলবার রাতে আরেকটি বিমান হামলায় ইরানের গোয়েন্দা বিষয়কমন্ত্রী ইসমাইল খতিব নিহত হন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ রাজনৈতিক ও সামরিক একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হন।


