× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধবিরতির নেপথ্য কারিগর কে

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত। পুরনো ছবি

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত। পুরনো ছবি

তেহরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে বেইজিংয়ের সহায়তায়ই তেহরান শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি হয়েছে। এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ইরানকে আলোচনায় আনতে চীনের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তখন উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি তাই শুনেছি (হ্যাঁ)’।

চীনের জন্য এই যুদ্ধবিরতির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে কারণ মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীন সফরের কথা রয়েছে। সেখানে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। যুদ্ধের কারণে ট্রাম্পের এই সফরটি আগে একবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা মূলত মার্চের শেষ দিকে হওয়ার কথা ছিল। তাই বেইজিং চাইছে ট্রাম্পের সফরের আগেই যেন যুদ্ধের উত্তেজনা কমে আসে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, চীন সরাসরি সামনে না এসে বরং নিভৃতে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশরের মতো দেশগুলোকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে ইরানকে শান্তির পথে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছে।

মার্কিন এই সংবাদের সূত্রমতে, আলোচনা চলাকালীন চীনা কর্মকর্তারা নিয়মিত ইরানি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছিলেন। যদিও চীন প্রকাশ্যে এই ভূমিকার কথা স্বীকার করেনি, তবে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বেইজিং বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্রের মাধ্যমে ইরানের ওপর তাদের প্রভাব খাটিয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার অংশ হিসেবেই চীন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন পর্যন্ত চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ভূমিকার বিষয়ে সরাসরি কোনো বিবৃতি না দিলেও ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, বেইজিং যুদ্ধের শুরু থেকেই ‘শান্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ’ করে যাচ্ছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘সব পক্ষকেই আন্তরিকতা প্রদর্শন করতে হবে এবং দ্রুত এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে, যা আদতে হওয়াই উচিত ছিল না’।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে চীন ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।

অন্যদিকে, গত মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর সুরক্ষায় আনা একটি জাতিসংঘ প্রস্তাবে চীন ও রাশিয়া যৌথভাবে ভেটো দিয়েছে। চীনের জাতিসংঘ প্রতিনিধি ফু কং এই ভেটোর পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলেন, একদিকে যুক্তরাষ্ট্র যখন সভ্যতার অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে, তখন এমন প্রস্তাব গ্রহণ করা বিশ্ববাসীর কাছে একটি ভুল বার্তা দিত।

Link copied!