× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

‘মাদকবাহী নৌকায়’ যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিহত ৫

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

‘মাদকবাহী নৌকায়’ হামলা চালিয়ে আরও ৫ জনকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে ঘটনাস্থলে মার্কিন কোস্টগার্ডকে তৎপর হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের এক বিবৃতি থেকে এ তথ্য জানা যায়। তবে কোথায়, কখন এ হামলা হয়েছে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার কিছুই জানায়নি সাউথকম। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রথম অভিযানে একটি নৌকায় থাকা তিন ‘মাদক সন্ত্রাসী’ নিহত হয়’। পরে অন্য দুই নৌকার লোকজন পানিতে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপরের হামলায় সেসব নৌকাও ডুবিয়ে দেয়া হয়। পরে জানানো হয়, দ্বিতীয় দফা হামলায় আরও দুজন নিহত হয়।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাউদার্ন কমান্ড যে ভিডিও প্রকাশ করেছে তাতে কয়েকটি নৌকাকে পাশাপাশি এগোতে দেখা যায়। বিবৃতিতে বলা হয়, নৌকাগুলো পরিচিত মাদক পাচার রুটে চলছিল এবং হামলার আগে তারা নিজেদের মধ্যে মাদক আদান–প্রদান করেছে। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

সামরিক বাহিনী বলেছে, কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে যাতে তারা ‘সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ সিস্টেম’ সক্রিয় করে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরের একটি হামলার পর উল্টে যাওয়া নৌকায় ফের হামলা চালিয়ে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিল। কিছু ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা ও আইন বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ওই হামলায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা বলছেন, হামলাটি আইনসঙ্গতই ছিল।

এদিকে বুধবারের হামলাসহ এ পর্যন্ত নৌকায় মোট ৩৩টি হামলার খবর প্রকাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এতে অন্তত ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মাদকদ্রব্যের প্রবাহ ঠেকাতে এটি ‘কঠোর ব্যবস্থা’ হিসেবে তুলে ধরেছে ট্রাম্প। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এখন মাদক কার্টেলের সঙ্গে এক ধরনের ‘সশস্ত্র সংঘাতে’ রয়েছে।

এই অভিযানের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে সামরিক উপস্থিতিও বাড়িয়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ বাড়াতে ১৫ হাজারের বেশি সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ—মাদুরো ‘মাদক সন্ত্রাসবাদে’ জড়িত। তবে কারাকাস এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, তাদের সরকারকে সরিয়ে দেশের বিশাল তেলসম্পদ দখল করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য।

এ ছাড়া ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার এমন একটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে নৌকায় করে মাদক তোলা হয়। এটিই প্রথমবারের মতো ভেনেজুয়েলার ভেতরে স্থলভাগে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী চালায়নি। এর আগেও ট্রাম্প বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি সিআইএকে অনুমতি দিয়েছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!