× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী মাদুরো

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম

নিকোলাস মাদুরো। ছবি: সংগৃহীত

নিকোলাস মাদুরো। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার ওপর কয়েক সপ্তাহ ধরে ওয়াশিংটনের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে এবার সুর নরম করলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। মাদক পাচার ও জ্বালানি তেল সংক্রান্ত সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাদুরো বলেন, মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যেকোনো সময় ও যেকোনো স্থানে আলোচনায় বসতে তিনি প্রস্তুত।

তিন মাস ধরে ক্যারিবীয় সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ‘মাদক পাচারবিরোধী’ ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এ ‘মাদকবিরোধী যুদ্ধের’ অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত ৩০টির বেশি নৌযানে হামলা চালানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় গত ২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এ অভিযানে এ পর্যন্ত ১১০ জনের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। সর্বশেষ গত বুধবার দুটি নৌযানে মার্কিন হামলায় পাঁচ জন নিহত হন।

এদিকে গত সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার একটি বন্দরে মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছে, ফলে সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। সিএনএন ও নিউইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, সিআইএর ড্রোন থেকে ওই হামলা চালানো হয়। খবরটি নিশ্চিত হলে ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে এটিই হবে প্রথম কোনো মার্কিন সামরিক অভিযান।

তবে সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মাদুরো। বিষয়টি স্বীকার বা অস্বীকার না করে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমরা কয়েক দিন পর কথা বলতে পারি।’

মাদক পাচারের অভিযোগ ছাড়াও জ্বালানি তেল ও অভিবাসন ইস্যুতে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন মাদুরো।

ভেনেজুয়েলা থেকে জ্বালানি তেল পরিবহনকারী ট্যাংকারের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ১০ ডিসেম্বর ইরান ও ভেনেজুয়েলার তেল বহনকারী একটি ট্যাংকার জব্দ করে মার্কিন বাহিনী। এ ঘটনাকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মাদুরো সরকার।

অন্যদিকে কোনো প্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, মাদুরো তার দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে বন্দিদের মুক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনে বাধ্য করছেন।

আইনবিশেষজ্ঞরা বলছেন, কথিত মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সশস্ত্র অভিযান আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হতে পারে। যদিও মার্কিন সাউথকমের দাবি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই তারা মাদক পাচারে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট নৌযানগুলোতে অভিযান চালাচ্ছে। তবে নৌযানগুলোতে মাদক থাকার কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!