ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের পার্থ ও কিনরস এলাকার পুবিলে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ২ দশমিক ৮, উৎসস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার গভীরে। 

ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের (বিজিএস) তথ্যমতে,গত সোমবার সন্ধ্যা ৭:২৫ মিনিটে ঘটা এই কম্পনে পিটলোচরি, কিনলোচ র্যানোচ এবং অ্যাবারফেল্ডি এলাকা কেঁপে ওঠে। 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কম্পনের সময় ভারী ট্রাক যাওয়ার মতো বিকট শব্দ হয়েছে এবং ঘরের জানালা ও আসবাবপত্র প্রবলভাবে দুলছিল।

অনেকেরই অজানা, যুক্তরাজ্যের ভূমিকম্পের ইতিহাস রয়েছে - ২০২৫ সালে দেশজুড়ে কয়েকশ ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে।

বিজিএস-এর সাম্প্রতিক ১০ দিনের মানচিত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালেও দেশজুড়ে ভূমিকম্পের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ল্যাঙ্কাশায়ার এবং ইয়র্কশায়ার বর্তমানে ভূমিকম্পের প্রধান হটস্পট হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চের মধ্যে ল্যাঙ্কাশায়ারের সিলভারডেলে চারটি মৃদু কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও এগুলোর মাত্রা ০.৫ থেকে ১.১-এর মধ্যে ছিল এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে মোরকাম্বে বে-র কাছে অবস্থিত একটি ক্যারাভান পার্কে এর কেন্দ্রস্থল চিহ্নিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

যুক্তরাজ্যে ভূমিকম্পের এই ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি মূলত ভূ-তাত্ত্বিক বিন্যাসের স্বাভাবিক অংশ। ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের সাবেক সিসমিক হ্যাজার্ড প্রধান রজার মুসন ব্যাখ্যা করেন যে, ভূমিকম্পের মাত্রা এক ইউনিট কমলে এর সংখ্যা সাধারণত ১০ গুণ বেড়ে যায়। সেই হিসেবে বছরে একটি ৩.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হলে অন্তত ১০টি ২.৫ মাত্রার এবং ১০০টি ১.৫ মাত্রার কম্পন হওয়া স্বাভাবিক। এর মধ্যে অনেকগুলোই মানুষের অনুভূত হয় না, তবে সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে ধরা পড়ে।