× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১০:৩৯ এএম

কূটনীতি প্রথম পছন্দ, হামলার সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১০:৩৯ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানে সামরিক আগ্রাসনের হুমকি অব্যাহত রেখেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। সংকট সমাধানে কূটনীতি ওয়াশিংটনের প্রথম পছন্দ হলেও প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলাসহ সামরিক পদক্ষেপের বিকল্পগুলো এখনো তাদের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, কূটনীতি সব সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পছন্দ। তবে সামরিক হামলার অপশনটিও ‘টেবিলে আছে’। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বড় শক্তি হলো তিনি সব সময় সব ধরনের অপশন খোলা রাখেন। সেই অপশনগুলোর মধ্যে বিমান হামলাও রয়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে বড় আকারের বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাণঘাতী অভিযানে কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব সংঘাতে নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।

তবে বিরোধী কর্মীদের দাবি, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি এবং এর মধ্যে কয়েকশ বিক্ষোভকারী রয়েছেন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এর আগে গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি অতীতেও সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবির সঙ্গে ইরান আরও বেশি সামঞ্জস্য না আনলে নতুন করে হামলা চালানো হতে পারে। চলমান বিক্ষোভ দমনে ইরান সরকারের কঠোর অবস্থান সামনে রেখে ট্রাম্প প্রশাসন আবারও সামরিক পদক্ষেপের যুক্তি তুলে ধরছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হতে পারে। তবে ট্রাম্প বরাবরই তার সিদ্ধান্ত অমান্যকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন।

এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরেই মতভেদ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা তেহরানের সঙ্গে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া বা সামরিক হামলার চেয়ে কম কঠোর অপশন বিবেচনার পরামর্শ দিচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

রোববার ট্রাম্প নিজেও বলেন, ইরান যোগাযোগ করেছে এবং আলোচনায় বসতে চায়। এ প্রসঙ্গে লেভিট বলেন, ইরানি সরকার প্রকাশ্যে যা বলছে, গোপনে প্রশাসনের কাছে যে বার্তা পাঠাচ্ছে, তার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রয়োজন মনে করলে সামরিক বিকল্প ব্যবহার করতে কখনোই ভয় পান না—এ কথা ইরান সবচেয়ে ভালো জানে।

এদিকে সোমবার গভীর রাতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দেন, যারা ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করবে, তাদের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয়। তবে এই শুল্ক ইরানের সব বাণিজ্যিক অংশীদারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!