× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম

তিন দেশের মুসলিম ব্রাদারহুডকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ট্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

মিশর, লেবানন ও জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে, যা মূলত ট্রাম্পের পূর্ববর্তী একটি নির্বাহী আদেশের বাস্তবায়ন।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জর্ডান ও মিশরের শাখাকে ‘বিশেষভাবে মনোনীত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং স্টেট ডিপার্টমেন্ট লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ বা এফটিও হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসকে সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে যে, ব্রাদারহুডের শাখাগুলো নিজেদের বৈধ সামাজিক সংগঠন হিসেবে দাবি করলেও তারা নেপথ্যে হামাসের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংগঠনগুলোর জন্য বড় ধরনের আইনি ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হবে। এখন থেকে এই দলগুলোকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দেওয়া অবৈধ বলে গণ্য হবে এবং তাদের আয়ের উৎস বন্ধ করতে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। বিশেষ করে লেবাননের শাখাটি এফটিও তালিকায় থাকায় তাদের কোনো সদস্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না।

১৯২৮ সালে হাসান আল-বান্নার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম ব্রাদারহুড মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ সময় ধরে মিশরের ক্ষমতায় থাকা এবং পরবর্তীতে সামরিক অভ্যুত্থানের মুখে পড়ার পর থেকেই কায়রো প্রশাসন তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে ব্রাদারহুডের শাখাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল এবং লেবাননের শাখাটি হিজবুল্লাহর সাথে সংহতি প্রকাশ করে ইসরায়েলবিরোধী ফ্রন্টে যোগ দিয়েছিল।

এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে লেবাননের পার্লামেন্ট সদস্য ইমাদ আল-হুত জানিয়েছেন, তাদের সংগঠন একটি বৈধ রাজনৈতিক দল এবং এর সঙ্গে বিদেশি কোনো শক্তির সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, কোনো রাজনৈতিক দলের মূল্যায়ন কেবল দেশের সংবিধান অনুযায়ী হওয়া উচিত, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নয়। মিশরের ব্রাদারহুড শাখাও এই আদেশের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দাবি করেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর চাপের মুখে পড়েই ট্রাম্প প্রশাসন এই পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও এই আদেশের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। টেক্সাস ও ফ্লোরিডার রিপাবলিকান গভর্নররা মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শীর্ষস্থানীয় নাগরিক অধিকার সংস্থা ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস’ বা সিএআইআর’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। যদিও সিএআইআর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে এবং সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!