× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৬:৩৩ এএম

আল জাজিরার বিশ্লেষণ

ইরানে ট্রাম্পের জয় সহজ নয়

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৬:৩৩ এএম

খামেনি এবং ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

খামেনি এবং ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

তেহরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার লক্ষ্য ‘জয়’ অর্জন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আদর্শিক ইরানি শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে যেকোনো আক্রমণের কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হলেও তা শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে পারবে না এবং বরং আরও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

থিঙ্ক ট্যাঙ্ক স্টিমসন সেন্টারের বিশিষ্ট ফেলো বারবারা স্লাভিন বলেছেন, সব বিকল্পই ভয়ঙ্কর। ক’ বা খ’ করলে পরিণতি কী হবে, তা বোঝা কঠিন। বিশেষ করে যদি ইরানি শাসকগোষ্ঠী মনে করে, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, তারা আমেরিকান বাহিনীর বিরুদ্ধে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করতে পারে।

ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যে কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে। ২ জানুয়ারি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গুলি করে হত্যা করে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে।

গত দুই সপ্তাহে ট্রাম্প কয়েকবার একই হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বিক্ষোভকারীদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখলের আহ্বান জানিয়ে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে এহেন হুঁশিয়ারির মধ্যেও ইরানি সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নৃশংস দমন-পীড়ন চালাচ্ছে; মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা হাজারের ওপরে পৌঁছেছে।

কুইন্সি ইনস্টিটিউটের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ত্রিতা পারসি বলেন, এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প হয়তো নিজেকে ‘মানবিক হস্তক্ষেপকারী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০২৫ সালের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর তেহরান তুলনামূলকভাবে সংযত প্রতিক্রিয়া দেখায়। কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ হয়, তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তবে পারসি সতর্ক করেন, এবারের পরিস্থিতি আলাদা হতে পারে। ইরানি কর্তৃপক্ষ হয়ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে তারা আর কোনো আক্রমণ সহ্য করবে না। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের বর্তমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে তারা অস্তিত্বের হুমকি হিসেবে দেখছে। সীমিত হামলাও ইরানের পক্ষ থেকে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া ডেকে আনতে পারে।

ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের কৌশল এবং ইরানের সংযম একদিকে যেমন উত্তেজনা তৈরি করেছে, অন্যদিকে এটি অঞ্চল ও বিশ্বে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!