× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম

লেবানন দূতাবাস থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা ক্রমে বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় লেবাননে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে দেশটি। 

যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, এই উত্তেজনা যুদ্ধের দিকে গড়ালে ইরানের পাল্টা হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় বৈরুতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে মার্কিন দূতাবাসের অন্তত ৩০ থেকে ৫০ জন কর্মীকে দেশটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনাগুলো ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তু হতে পারে- এমন আশঙ্কা করছে ওয়াশিংটন।

ওয়াশিংটন ও তেহরান গেল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনায় বসার কথা রয়েছে। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এমন একটি অর্থবহ চুক্তি চান, যা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ থেকে বিরত রাখবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কোনও চুক্তি না হলে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

এর আগেও ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন বিভিন্ন দেশে থাকা তার দূতাবাস ও সামরিক ঘাঁটি থেকে কর্মী সরিয়ে নিয়েছে। ২০২৫ সালে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার আগে ইরাক, বাহরাইন ও কুয়েতে থাকা মার্কিন দূতাবাসগুলো থেকেও অপ্রয়োজনীয় কর্মী প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘পররাষ্ট্র দফতর বৈরুতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যালোচনার পর আমরা মনে করেছি, কেবল প্রয়োজনীয় কর্মী রেখে উপস্থিতি কমানোই যুক্তিসংগত।‘ তবে দূতাবাস পুরোপুরি বন্ধ হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দূতাবাসের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে হলেও চালু থাকবে।’

মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, উত্তেজনা যুদ্ধে রূপ নিলে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে অথবা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র ও প্রক্সি বাহিনীগুলোকে সক্রিয় করতে পারে। বিশেষ করে লেবাননের ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!