× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn
যমজ কন্যাসন্তান জন্মানোই তালাক

অবশেষে স্বামীর সংসারে ফিরলেন সেই নারী

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ০৬:১৭ এএম

অবশেষে স্বামীর সংসারে ফিরলেন সেই নারী

ঝিনাইদহের মহেশপুরে যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ার অপরাধে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ ওঠা সেই রীনা খাতুন শেষ পর্যন্ত স্বামীর সংসারে ফিরেছেন। গত মঙ্গলবার থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তিনি তার স্বামী রাকিবুল ইসলামের বাড়িতে পুনরায় ঠাঁই পেয়েছেন। এর আগে থানা প্রাঙ্গণে কাজী ডেকে শরিয়াহ মোতাবেক তাদের পুনরায় বিয়ে পড়ানো হয়।

জানা যায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের কোলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে রাকিবুলের সঙ্গে বিয়ে হয় একই গ্রামের রীনা খাতুনের। বিয়ের পর রীনা অন্তঃসত্ত্বা হলে পরীক্ষায় গর্ভে যমজ কন্যাসন্তান থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা। রীনার অভিযোগ, যমজ কন্যা হওয়ার বিষয়টি জানার পর থেকেই স্বামী ও তার পরিবারের আচরণ বদলে যায়। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মুখে একপর্যায়ে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। সেখানেই ছয় মাস আগে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি।

রীনার অভিযোগ ছিল, জন্মের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সন্তান ও তাদের কোনো খোঁজখবর নেয়নি রাকিবুলের পরিবার। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তিনি। এরই মধ্যে স্বামী রাকিবুল ডাকযোগে তালাকনামা পাঠালে রীনা দিশাহারা হয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তা প্রশাসনের নজরে আসে। যদিও তালাকের কারণ হিসেবে যমজ কন্যাসন্তান হওয়ার অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন স্বামী রাকিবুল। তবে দীর্ঘ টানাপড়েন ও অভিযোগ-পাল্টাঅভিযোগের পর মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান উভয় পরিবারকে থানায় ডেকে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা আলোচনা করেন। মানবিক দিক বিবেচনা ও শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শেষ পর্যন্ত তাদের মিল করে দেওয়া হয়।

মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, ‘বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছি। যমজ দুই শিশুর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদের মা-বাবাকে পুনরায় এক করতে পারায় আমরা আনন্দিত।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!