২০২৬-২৭ অর্থবছরে মুদি দোকান, বিউটি পার্লার, রেস্তোরাঁসহ ১৬ ধরনের ব্যাবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে।
সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সেলিনা সুলতানা প্রশ্ন রাখেন, বিগত অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত এবং নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে কি না এবং থাকলে সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে যেসব ব্যাবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো হলোÑ মুদি দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড় বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য এবং জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা। এ ছাড়া পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডর এবং রেস্তোরাঁকেও এই পরিকল্পনার আওতায় রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন