× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৬, ০৬:০৪ এএম

ভূমিকম্পে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন তবেই বাঁচবে প্রাণ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৬, ০৬:০৪ এএম

ভূমিকম্পে আতঙ্কিত না  হয়ে সচেতন হোন  তবেই বাঁচবে প্রাণ

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় নাগরিকদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পের দিক থেকে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। যেহেতু এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কোনো পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়, তাই যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের বিপদ এড়াতে ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতন থাকা এবং তাৎক্ষণিক করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা অত্যন্ত জরুরি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়েছে, যা মেনে চললে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

ভূমিকম্পের সময় প্রথম ও প্রধান বার্তা হলো, কোনো অবস্থাতেই আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। ঝাঁকুনি শুরুর সময় ঘরে থাকলে দ্রুত বিছানার বালিশ দিয়ে মাথা ঢেকে টেবিল, ডেস্ক কিংবা যেকোনো শক্ত আসবাবপত্রের নিচে আশ্রয় নিতে হবে। ঘরে অবস্থানকালে বহুতল ভবনের বিম, কলাম বা পিলারের পাশে দাঁড়ানো তুলনামূলক নিরাপদ। রান্নাঘরে অবস্থানকালে ভূকম্পন অনুভূত হলে মুহূর্তও দেরি না করে গ্যাসের চুলা দ্রুত বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে আসতে হবে। আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা অবস্থায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের স্কুলব্যাগ মাথায় দিয়ে শক্ত বেঞ্চ বা টেবিলের নিচে আশ্রয় নিতে পারে। একইভাবে গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি, হাসপাতাল, বিপণি বিতান কিংবা সিনেমা হলের মতো জনাকীর্ণ স্থানে থাকলে তাড়াহুড়া করে বের হওয়ার জন্য দরজার সামনে হুড়োহুড়ি বা ধাক্কাধাক্কি করা যাবে না; বরং দুই হাতে মাথা ঢেকে সেখানে বসে পড়াই শ্রেয়।

ভবনের ওপরের তলায় থাকলে ঝাঁকুনি না থামা পর্যন্ত ভেতরেই অপেক্ষা করা উচিত, কারণ এই সময় তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে কিংবা লিফট ব্যবহার করতে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কম্পন পুরোপুরি থেমে যাওয়ার পর সিঁড়ি ব্যবহার করে দ্রুত নিচে নেমে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে হবে। কোনো ব্যক্তি যদি ভূমিকম্পের সময় খোলা মাঠে বা বাইরে থাকেন, তবে তাকে উঁচু বাড়ি, বড় গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে হবে। আর চলন্ত গাড়িতে থাকলে ফুটওভার ব্রিজ বা ফ্লাইওভারের নিচে গাড়ি না থামিয়ে ফাঁকা জায়গায় থামিয়ে কম্পন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

দুর্ভাগ্যবশত কেউ যদি ভেঙে পড়া দেয়াল বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন, তবে অতিরিক্ত নড়াচড়া করে শক্তি ক্ষয় করা যাবে না। ধূলিকণা যাতে শ^াসনালিতে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য হাতের কাছে থাকা কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, মূল ভূমিকম্পের পর যেকোনো সময় আফটার শক বা পুনরায় কম্পন হতে পারে, তাই সুযোগ বুঝে নিরাপদ ও খোলা জায়গায় চলে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য প্রতিটি পরিবারে ব্যাটারিচালিত রেডিও, টর্চলাইট, পর্যাপ্ত পানীয়জল এবং প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম মজুত রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি যেকোনো ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে দুর্যোগ তীব্র হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা যায়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!