× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬, ০৩:৩০ এএম

বাগেরহাটে ডেঙ্গুর প্রকোপ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬, ০৩:৩০ এএম

বাগেরহাটে ডেঙ্গুর প্রকোপ

বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা। ধারণক্ষমতার চেয়ে রোগী বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র শয্যা সংকট। চলতি বছরে এ পর্যন্ত জেলার সদর হাসপাতালে বর্তমানে মোট ৩৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর বিপরীতে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে এখানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আর এই আকস্মিক রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে দেখা দিয়েছে নানা অব্যবস্থাপনা। পর্যাপ্ত স্থান ও শয্যা না থাকায় বাধ্য হয়ে একই ওয়ার্ডে গাদাগাদি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে নারী ও পুরুষ রোগীদের।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, ডেঙ্গু আক্রান্ত নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক ওয়ার্ডের ব্যবস্থা না থাকায় চরম ভোগান্তি ও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের। এ ছাড়া সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মশারির অভাব। দিনের বেলায় অনেক রোগীকেই মশারি ছাড়া সাধারণ বেডে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। উন্মুক্ত অবস্থায় ডেঙ্গু রোগী থাকায় হাসপাতাল থেকে নতুন করে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীরা দ্রুত পর্যাপ্ত মশারি সরবরাহ এবং নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তবে এই সংকটের মধ্যেও হাসপাতালের মূল চিকিৎসাসেবা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন রোগী। তারা জানান, শয্যা ও জায়গার সংকট থাকলেও চিকিৎসক এবং নার্সরা নিয়মিত ওয়ার্ড রাউন্ড দিচ্ছেন এবং অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা ও ওষুধ প্রদান করছেন।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, ‘হঠাৎ করে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের ওপর কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়েছেÑ এটি সত্য। তবে এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আমাদের চিকিৎসক ও নার্সরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। রোগীর চাপ সামাল দিতে ইতোমধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!